মো.শাহাদত হোছাইন।।
কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে তৃতীয় দিনের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।
সকাল পৌণে ১০ টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে ১৫ আসামীকে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে হাজির করা হয়। সিনহার সহযোগী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের মূলতবী সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে জেরা করেন বিভিন্ন আসামীর আইনজীবীরা। আদালতের কার্যক্রম শেষ হয় সন্ধ্যা ৭ টায়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, প্রথম দফায় তিনদিনে সাক্ষ্যদানের জন্য মামলার ৮৩ আসামীর মধ্যে ১৫ জনকে আদালতে উপস্থিত থাকতে সমন জারি করা হয়েছিল। এদের মধ্যে প্রথম দিনে সাক্ষ্যদানের জন্য বাদী ও মামলার ২ নম্বর সাক্ষীসহ চারজন আদালতে উপস্থিত ছিল। তবে গত তিন দিনে শুধু দুইজনের সাক্ষ্য নেয়া সম্ভব হয়েছে। তাই এ হত্যা মামলার পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ৫,৬,৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর।
প্রসঙ্গতঃ গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
এ ঘটনায় সে সময় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামী করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে র্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়।
তদন্ত শেষে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা তৎকালীন র্যাব ১৫-এর সহকারি পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাস ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
গত ২৭ জুন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মোহাম্মদ ইসমাইল মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
Leave a Reply