কক্সবাজারের টেকনাফে আলোচিত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের আবেদন জানান আসামি ওসি প্রদীপের আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।
পিপি ফরিদুল আলম বলেন, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঘটনার পর চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের আবেদন করেছেন প্রদীপের আইনজীবী। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেননি বিচারক।
২০২০ সালের ২ আগস্ট মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল এসএম সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী।
গঠিত কমিটির কার্যক্রম শুরু হয় ৩ আগস্ট। সাত কর্মদিবস অর্থাৎ ১০ আগস্ট কমিটিকে প্রতিবেদন জমাদানের সময় বেঁধে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর প্রথমবারে উক্ত কমিটির সময় বাড়ানো হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। পরে দ্বিতীয়বারেও কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয় ৩১ আগস্ট।
ওই সময়ের মধ্যে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপের বক্তব্য গ্রহণ করতে না পারায় কমিটির মেয়াদ সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ সেপ্টেম্বর কমিটি কক্সবাজার জেলা কারাগারে প্রদীপ কুমার দাসের বক্তব্য গ্রহণ করে। পরে ৭ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ১০৩ পৃষ্টার লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করে এ কমিটি।
Leave a Reply