সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।।
দুইটি ফৌজদারি মামলার আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী জিয়াবুল ও হারুন অর রশিদ ওরফে কানা মানিক বর্তমানে মগনামার আনাচে-কানাচে বীরদর্পে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে মগনামা ইউনিয়নের এই দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলেও রহস্যজনক কারণে পেকুয়া থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছেনা এমনটাই অভিযোগ করেছে মামলার বাদী ও স্থানীয় এলাকাবাসীরা। তারা গ্রেফতার না হওয়ায় পুরো মগনামা ইউনিয়ন জুড়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমের আস্কারায় নানান ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড সংগঠিত করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা দুই জনই দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী প্রকৃতির। চেয়ারম্যান ওয়াসিমের ভাড়াটিয়া ‘গুন্ডা’ হিসেবে এলাকায় জিয়াবুল ও কানা মানিক সর্বাধিক পরিচিত। তাদের অত্যাচারে মগনামার সাধারন লোকজন অতিষ্ট।
আরো জানা যায়, সন্ত্রাসী জিয়াবুলের বিরুদ্ধে মগনামা সাব মেরিন নৌ-ঘাঁটিতে কর্মরত বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের পিকআপ, ট্রাক ও ডাম্পার থেকে জ্বালানী তেল ও চুরির অভিযোগ রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের পশ্চিমকুল গ্রামের বাসিন্দা ও দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী জিয়াবুল এবং দক্ষিণ মগনামা এলাকারা হারুন অর রশিদ ওরফে কানা মানিকসহ আরো কয়েকজন সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মগনামার সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনে কয়েক বছর পূর্বে পেকুয়া থানায় মামলা রেকর্ড হয়। যাহার জিআর মামলা নং ৭/১৮ ইং ও ৯/১৮ইং।
জানা যায়, মগনামার সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরীর কাকপাড়াস্থ বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগে পেকুয়া থানায় মামলা দুইটি দায়ের করেছিলেন ইউনুচ চৌধুরীর ছোট ভাই মো: সরওয়ার চৌধুরী। আর এ দুইটি মামলায় সন্ত্রাসী জিয়াবুল ও কানা মানিকের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। কিন্তু তাদের গ্রেফতারে কোন ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেনা এমনটাই অভিযোগ করেছেন মামলার বাদি মোঃ সরওয়ার চৌধুরী।
মামলার বাদি অভিযোগ করে বলেন,‘আদৌ সন্ত্রাসী জিয়াবুল ও কানা মানিককে গ্রেফতার করা হবে কিনা সেটি নিয়েও আমরা দারুণ সংশয়ে রয়েছি। এই দুই সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেফতারপূর্বক আইনের কাছে সোপর্দ্দ করার জন্য কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপারের কাছে আমি সহায়তা কামনা করছি।
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) কানন সরকার জানান, কোন অপরাধীকে পুলিশ প্রশ্রয় দেবেনা। গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিলপূর্বক আইনাননুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply