কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে এক সিনিয়র নারী কর্মচারীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালে কর্মরত ২ পুরুষ সহকর্মীর বিরুদ্ধে।
অভিযুক্তরা হলেন, মো.আইয়ুব এমএসএফ এনজিওর আওতাধীন ক্লীনার সুপার ভাইজার পদে ২০১৮ সাল থেকে কর্মরত এবং আরেক অভিযুক্ত তপন কান্তি মল্লিক ২০০৬ সাল থেকে মালি পদে সরকারী কর্মচারী হিসাবে কর্মরত।
ভুক্তভোগীর স্বামী অভিযোগ তাঁরা মিয়া বলেন, আমি এবং আমার স্ত্রী দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চাকুরী করে আসছি। হাসপাতালে কর্মরত কয়েকজন কর্মচারী আমার স্ত্রীকে ধর্ষণ চেস্টা করেছে। তারা বিভিন্ন সময় আমার স্ত্রীকে হোটেলে যেতেও কু–প্রস্তাব দেয়। এছাড়া কাজের সময় নানানভাবেও শ্লীলতাহানী করে। বিষয়টি আমার স্ত্রী লজ্জা এবং ভয়ে আমাকে এতদিন বলেনি। তবে বিষয়টি আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। হাসপাতালের মালী পদে থাকা কর্মচারী তপন ও আইয়ুব সহ আরো কয়েকজন মিলে এই জঘন্য কাজ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।
ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিকদের বলেন, আমি লোক-লজ্জার ভয়ে এতদিন ঘটনাটি গোপন রাখছিলাম। আমি আর পারছি না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি বিচার না করে আমি থানা পুলিশের আশ্রয় নেবো।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হাসপাতালের কর্মচারী মো.আইয়ুব এবং তপন মল্লিকের
সাথে যোগেযোগ করা হলে তারা এ ঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট বলে দাবী করেন। একই সাথে উক্ত নারীর স্বামী তাঁরা মিয়াকে পাগল বলে দাবী করেন অভিযুক্তরা।
এ ব্যপারে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (প্রশাসন) ডাঃ এসএম নওশাদ রিয়াদ বলেন, এ বিষয়ে কোন ধরনের অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারপরও যখন এরকম একটি অভিযোগ উঠেছে উভয়পক্ষ
কে ডেকে আইনী ব্যবস্থা নেবো।
হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর স্বামী তাঁরা মিয়া RRRC অধীনে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্লীনার পদে চাকুরী করে আসছে এবং তার স্ত্রী নারগিস আক্তার (৫৫) দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে কুক পদে সরকারী কর্মচারী হিসাবে চাকুরী করছে।
এদিকে, অভিযুক্ত তপন মল্লিক মালিপদে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও সে বর্তমান গাইনী ওয়ার্ডের অপারেশন থিয়েটারে কাজ করে, তা নিয়ে অভিযোগ তুলেছে কয়েকজন কর্মচারী।
Leave a Reply