সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে একই পরিবারের ৪ সদস্যের বিষপান : দু’মৃতদেহ উদ্বার

টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে একই পরিবারের ৪ সদস্যের বিষপান : দু’মৃতদেহ উদ্বার

 

মুহাম্মদ জুবাইর।।

টেকনাফ উপজেলার সাবরাংয়ের শাহপরীরদ্বীপে একই পরিবারে দু’জনের মৃত দেহ ও দু’জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্বার করেছে স্বজনরা।

মৃতরা হচ্ছে শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়ার বাসিন্দা, রোহিঙ্গা নাগরিক আনোয়ার (৩৭) ও তার মেয়ে রাফিয়া(১০)।

শিশু মেয়ে মাহিয়া ও এক পুত্র কে মুমূর্ষু অবস্থায়
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোহিঙ্গা নাগরিক আনোয়ার (৩৭) ও তার পরিবার বহুবছর ধরে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে এদেশে বসবাস করছে। তাহার অন্যান্য আত্বীয় স্বজন চট্রগ্রামের কোথাও বসবাস করলেও আনোয়ার স্থানীয় ইমাম শরিফ ওরফে কানপুরা মাঝির মেয়ে হুসনে আরার (৩৫)কে বিবাহ করে জালিয়াপাড়া থাকত। বেশ কিছুদিন সংসার সুখে থাকলেও গেল কিছুদিন ধরে তাদের মাঝে পারিবারিক কলহে মলোমালিন্য চলছে। প্রতিবেশী একব্যক্তি জানান, কয়েকদিন আগে আনোয়ার মাছ ও তরিতরকারি নিয়ে বাড়ীতে আসলে স্ত্রী হুসনে আরা মাছ ও তরিতরকারি হাত থেকে কেরে নিয়ে বাহিরে ফেলে দেয়। সর্বশেষ ১১ডিসেম্বর স্বামী -স্ত্রীর কথাকাটির জের ধরে স্ত্রী দুগ্ধজাত শিশুকে নিয়ে কোথাও পালিয়ে যায়। এই ক্ষোভে শনিবার দিবাগত রাত ৮ টার পর যে কোন সময়ে নিজ ৩সন্তানকে বিষপান করিয়ে নিজেই বিষ পান করেন। সকালে মাহিয়া নামে বেচে থাকা শিশুকন্যারা পিতা ও বড় বোন রাফির নিথর দেহ দেখে কান্নাকাটি করলে প্রতিবেশীরা এসে তাদের মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে মাহিয়াসহ ২ জনকে কক্সবাজার হাসপাতালে প্রেরণ করে বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মাহিয়া কিছুটা সুস্থ হলে সাথে থাকাদের জানায়, তারা পিতাসহ রাতে ডিম ও দূধ দিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে এবং সকালে পিতা ও বোনের নিথর দেহ দেখে কান্নাকাটি করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে।

এদিকে, অনেকে জানায় আনোয়ার পেশায় জেলে। হরহামেশায় অভাব ও দারিদ্র্যতার কারনে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। অভাবেই আজ একটি সম্ভাবনাময় পরিবারের অবুঝ ৩ শিশুসহ বিপদজনক ঘটনার পথ বেঁচে নেই।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM