সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে পর্যটককে গণধর্ষণ

কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে পর্যটককে গণধর্ষণ

বিশেষ প্রতিবেদক।।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার স্বামী-সন্তানের সঙ্গে বেড়াতে আসা এক নারীকে গনধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তিন যুবকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দিনগত রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের হোটেল থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ ।

জানা গেছে, বুধবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজার বেড়াতে এসে শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে ওঠেন। পরে বিকেলে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে যান। সেখানে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগে। এ সময় এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে ভুক্তভোগী নারীর ৮ মাসের সন্তান ও স্বামীকে অটোরিকশা করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি অটোরিকশায় তাকে তুলে নেয় ৩ যুবক। পরে পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তারা।

এর পর ভুক্তভোগীকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে নিয়ে আরেক দফা ধর্ষণ করা হয়। এ সময় ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে জানিয়ে রুম বাইরে থেকে বন্ধ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ধর্ষকরা। পরে ভুক্তভোগী গৃহবধূ জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯-এ কল করেন। পুলিশ তাকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেয়। পরে র‍্যাব এসে তাকে উদ্ধার করে। তার স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করা হয় পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিষয়টির তদন্ত চলছে। মামলার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।

স্থানীয়রা জানান, এরকম ঘটনা প্রায় সংগঠিত করে থাকেন আশিক-জয়া-বাবু গ্রুপটি। সিন্ডিকেটটি খুবই হিংস্র ও শক্তিশালী বলে কেউ ভয়ে মুখ খুলে না। এই গ্রুপের অন্যতম তিনজন হলেন, কক্সবাজার পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড মধ্যম বাহারছড়া এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মোহাম্মদ আশিক, একই এলাকার মোহাম্মদ শফি প্রকাশ গুন্ডা শফির ছেলে ইসরাফিল হুদা জয় প্রকাশ জয়া ও আবুল কাসেম প্রকাশ মদ ব্যবসায়ী কাসেমের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু প্রকাশ গুন্ডা বাবু।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM