সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
সাংবাদিককে বেধড়ক পেটালেন চকরিয়ার ইউএনও!

সাংবাদিককে বেধড়ক পেটালেন চকরিয়ার ইউএনও!

বিশেষ প্রতিবেদক।।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসূল তাবরীজের বিরুদ্ধে সালেম নূর নামে এক স্থানীয় সাংবাদিককে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। মারধরের পর স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় ওই সংবাদকর্মীকে।

সালেম নূর কক্সবাজারে স্থানীয় দৈনিক আপনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি ও জাতীয় দৈনিক প্রথম প্রহরের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ইউএনও অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিক সালেম নূরের অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসূল তাবরীজের ব্যক্তিগত সহকারী মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। ওই স্ট্যাটাস দেয়ার পর সন্ধ্যার ৬টার দিকে দেহরক্ষী ইউএনও’র বরাত দিয়ে ফোন করে সালেম নূরকে এক ঘণ্টার মধ্যে ইউএনও অফিসে যাওয়ার জন্য বলেন। ফোন পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেখানে যান সালেম নূর। ইউএনও’র অফিসে গেলেই তাকে কয়েক দফায় পেটানো হয়। রাবারের পাইপ দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসূল তাবরীজ, তার ব্যক্তিগত কর্মচারী ইফাত ও কাজল, সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার ওসমান গণি তাকে কয়েক দফা পেটান। খবর পেয়ে সালেম নূরের স্ত্রী ও মা সেখানে যান। তাদের সামনেও সালেম নূরকে বেধড়ক পেটানো হয়। এসময় তার মা ইউএনও’র পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলেও তাকে ছাড়া হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

সালেম নূর বলেন, আমি অপরাধ করে থাকলে মামলা দিতে পারে, জেল দিতে পারে। কিন্তু মারধরের এখতিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেই। আমি এর বিচার চাই। মারধর করে ‘ভবিষ্যতে ফেসবুকে এমন পোস্ট দেবেন না’ মর্মে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেন। স্বাক্ষর দিতে না চাওয়ায় ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন সালেম নূর।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসূল তাবরীজ মারধরের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, সালেম নূরের সাথে সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার ওসমান গণির একটি মামলা আমার অফিসে চলমান রয়েছে। মামলাটির কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চলমান রয়েছে। কিন্তু তা না মেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের কর্মচারীকে দায়ী করে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়েছেন সালেম নূর। মারধরের আঘাত সম্বলিত যে ছবি ফেসবুকে প্রকাশ হয়েছে সেগুলো আদৌ প্রকৃত ছবি নয় বলে দাবি করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM