বিশেষ প্রতিবেদক।।
শুধুমাত্র চাঁদা আদায়ের জন্য কক্সবাজার পৌরসভার বড়বাজারস্থ সুপার মার্কেটের সামনে অবৈধ সিএনজি ষ্টেশন বসিয়েছে কতিপয় চাঁদাবাজ। এতে করে বড়বাজার এলাকায় সারাদিন তীব্র যানজট লেগে থাকে। কিন্তু তাতে কোন আক্ষেপ নেই চাঁদাবাজদের। এতেও প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই। তাই বছরের পর ধরে চলছে এই প্রক্রিয়া।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সিএনজি ষ্টেশনের কারণে বাজার এলাকায় সারাদিন তীব্র যানজট লেগে থাকে। এটি সরিয়ে দিলে এখানে নিরাপদে ব্যবসা ও হাঁটাচলা করো যেত। দীর্ঘদিন ধরে শহরের বড়বাজার এলাকায় দেখা যাচ্ছে অবৈধ সিএনজি ষ্টেশন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কোন প্রকার অনুমতি বা প্রয়োজনীয়তা ছাড়াই পৌরসভা মার্কেটের সামনের সামান্য খালি জায়গায় বসানো হয়েছে সিএনজি ষ্টেশন। যা থেকে প্রতি নিয়ত চাঁদা তুলে একটি চক্র। এই চক্রের অন্যতম সদস্য শহরের পেশকারপাড়া এলাকার সাদ্দাম। সে নামের এক যুবক এই টাকা তুলে, প্রতি গাড়ী থেকে ৩০ টাকা করে টাকা তুলে। প্রতিদিন অন্তত ৫০/৬০ টি গাড়ী থেকে এই টাকা তুলা হয়। সে হিসাবে দৈনিক কমপক্ষে দেড় হাজার টাকা চাঁদা তোলা হয়।
এ ব্যাপারে সাদ্দামের জানান, তিনি অপকটে স্বীকার করেন আমি কোন প্রশাসন বা কাউকে এক টাকাও ভাড়া দিই না। সব টাকা আমি তুলি আর এই সিএনজি ষ্টেশন আমি বসিয়েছি। এখানে সব সময় ৬ টি সিএনজি থাকে। তারা চলে গেলে আর ৬ টি আসে। আর আমি বড় বাজারে যানজট নিরসনে কাজ করি। এছাড়া, তার একটু দূরে বড়বাজার জামে মসজিদ রোডের মুখেও আছে আরেকটি সিএনজি ষ্টেশন। সেখান থেকেও নিয়মিত চাঁদা তোলে কতিপয় যুবক।
এদিকে বড়বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, সাদ্দাম পেশকারপাড়া এলাকার স্থানীয় ছেলে। সে অনেকটা গায়ের জোরে এখানে সিএনজি ষ্টেশন বসিয়েছে। যেখানে ঠিকমত মানুষ হাঁটতে পারেনা, সেখানে সিএনজি ষ্টেশনের কারনে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে। আর সে সরকার দলীয় বিভিন্ন মানুষ জনের আশ্রয়ে থাকে। আর সব সময় বেয়াদবি করে। ব্যবসায়িদের দাবী অনেকটা চাঁদা তুলতেই এই সিএনজি ষ্টেশন বসানো হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
Leave a Reply