সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
কুতুবদিয়ায় গৃহহীনদের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম-দু্র্নীতিঃ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সরকারের মহতী উদ্যোগ

কুতুবদিয়ায় গৃহহীনদের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম-দু্র্নীতিঃ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সরকারের মহতী উদ্যোগ

বিশেষ প্রতিবেদক।।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় “যার জমি আছে, ঘর নেই-নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’’প্রকল্পের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিম্নমানের কাজ করে উপকার ভোগীদের কাছ থেকে নির্মাণ সামগ্রী ও টাকা আদায় করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘরের নকশাও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। এতে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সরকারের এমহতী উদ্যোগ-এমন অভিমত প্রকাশ করেন কুতুবদিয়া উপজেলার সচেতন মহল।
সুত্রে জানা গেছে, গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প (আশ্রয়ণ-২) এর অধীনে যার ‘জমি আছে, ঘর নাই-নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ কর্মসূচির আওতায় কুতুবদিয়ার উপজেলার ৬ ইউনিয়নে ১৮টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটি ঘর নির্মাণের খরচ দেয়া হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
নকশা অনুযায়ী, এক কক্ষ বিশিষ্ট প্রতিটি ঘরের মূল কক্ষের দৈর্থ্য ১৫ফুট ৮ইঞ্চি ও প্রস্থ ৯ফুট ৮ইঞ্চি এবং ৫ ফুট প্রস্থের বারান্দা। সাথে একটি টয়লেট যার দৈর্ঘ্য ৩ ফুট ও প্রস্থ ৩ ফুট। চারিদিকে ইটের দেয়াল, উপরে ৪৬ মিলিমিটার রঙ্গিন ঢেউটিনের ছাউনি ও ঘরের মেঝেতে ৩ইঞ্চি ইটের ঢালাই দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে ঘর নির্মাণের ক্ষেত্রে এসব নিয়ম মানা হয়নি। উপজেলার ৬ ইউনিয়ন ঘুরে সরেজমিনে প্রতিটি ঘর নির্মাণে নানা অনিয়মের চিত্র চোখে পড়েছে।
১০ নম্বর উপকারভোগী বড়ঘোপ ইউনিয়নের মিয়াজীর পাড়া গ্রামের মোঃ আবদুল কাদেরের স্ত্রী শেফা আকতার বলেন, অসহায় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়েছি। কিন্তু এই ঘরতো বসবাসের উপযুক্ত নয়। বৃষ্টি হলেই ঘরে বৃষ্টির পানি পড়ে। মেঝেতে কোন প্রকার ঢালাই দেয়া হয়নি। তাই বৃষ্টি হলেই পুরো ঘর কাঁদায় ভরে যায়। বিছানা পেতে শোঁয়ার জো থাকেনা। টয়লেট দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসন বরাবরে অভিযোগ দিয়েও কোন সুরাহা পাইনি বলে জানান তিনি।
উপকারভোগী শেফা আকতার অভিযোগ করে বলেন, ঢেউটিন দিতে প্রতিজন থেকে ২ হাজার টাকা করে নিয়েছে পিআইও’র লোক। যে বাড়িতে টয়লেট আর মেজেতে ঢালাই দেয়নি সে উপকারভোগীও অভিযোগ দিয়েছে। এক বছর আগে অভিযোগ করে কোন সুরহা না মিললেও বক্তব্য নেওয়ার পরের দিন পিআইও অভিযোগকারীকে ডেকে টয়লেট করার জন্য ৫ হাজার টাকা দিয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন খোকন চন্দ্র দাশের (০১৭২৮ -১৫৪২৯৩) মোবাইলে যোগাযোগ করে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সাক্ষাৎকার নিতে মুঠোফোনে সময় চাইলে, এশিয়ান টেলিভিশনের কুতুবদিয়া উপজেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান নামের এক সংবাদকর্মীকে নিউজ করলে আইসিটি মামলা করার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM