সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবুন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করুন

লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবুন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করুন

।।।মো.শাহাদত হোছাইন।।

করোনা মোকাবিলায়  বৃহস্পতিবার (১জুলাই) থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যারা বিধিনিষেধ মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই হয়েছে, সারা দেশে আইন না মানায় আটক করা হয়েছে অসংখ্য লোককে। অনেককে আইন মানতে বাধ্য করতে জরিমানাও করা হয়েছে।

সাম্প্রতিককালে যে হারে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে, তাতে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার বিকল্প ছিল না।

বিশেষজ্ঞের মতে, আরও আগে এই বিধিনিষেধ দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। মনে হচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগাম উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের অনীহা ছিল। তারা ঘটনার পেছনে পেছনে ছুটে। এ সিদ্ধান্ত মার্চের মাঝামাঝি নিতে পারলে সংক্রমণ মোকাবিলা আরও সহজ হতো।

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের জারি করা সাত দিনের বিধিনিষেধের সময়ে পালনের জন্য যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে কায়দায় সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়, সেখানে সবকিছু অবরুদ্ধ অবস্থায় বা বন্ধ থাকে। কিন্তু সরকার কিছু খোলা রাখছে, কিছু বন্ধ থাকছে।

কোনো কোনো বিশেষজ্ঞের মতে, সারা দেশে লকডাউন দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেড়েছে, সেসব এলাকায় লকডাউন জরুরি ছিল। যেমনটি গত বছর করা হয়েছিল।

সরকার বলেছে, ‘জীবন ও জীবিকা’ উভয়ই রক্ষা করতে হবে। যে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে, তার মাধ্যমে যদি সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেটি বড় অর্জন হবে। যে দেশে এখনো প্রায় এক–চতুর্থাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, মোট শ্রমজীবী মানুষের ৮০ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন, সেখানে জীবন-জীবিকার ভারসাম্য রক্ষা করা কেবল কঠিন নয়, অত্যন্ত দুরূহ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের পথ বন্ধ হলে কী হবে, সেটা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। তাদের জন্য কোনো ব্যবস্থা না রেখে বিধিনিষেধ কার্যকর করা অসম্ভব। ক্ষুদ্র আয়ের মানুষ ও শ্রমজীবীরা বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।

এক বছরের বেশি সময় ধরে করোনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত বছর দীর্ঘ লকডাউন গেছে। তখন অনেকে জীবিকা হারিয়েছেন। যে দারিদ্র্যের হার ২০১৯ সালের শেষের দিকে ২০ শতাংশের মতো ছিল, সেটা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত হয়েছে, কিন্তু দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সাহায্য-সহায়তার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

গত সাধারণ ছুটিতে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য যে বরাদ্দ দিয়েছিল, তা যথাযথভাবে তাদের কাছে পৌঁছায়নি। স্থানীয় সরকারগুলোর সহায়তায় দরিদ্রদের তালিকা তৈরি করে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। যথাযথ তালিকা করা গেলে সেটি পাঠানোর জন্য ৩৩৩ একটি টেলিফোন নম্বরই যথেষ্ট।

লেখক-

সম্পাদক ও প্রকাশক,কক্সনিউজটুডে ডট নেট।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।
লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবুন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করুন&url=https://coxnewstoday.net/?p=233" title="Share on LinkedIn" class="simple-share ss-facebook"> লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবুন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করুন" title="Vote on Reddit" class="simple-share ss-facebook"> লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবুন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করুন" title="Digg this!" class="simple-share ss-facebook">

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM