বিশেষ প্রতিবেদক।।
যুবদল থেকে এসে রাতারাতি ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ১নং ইউনিটের সভাপতি বনে যায় আমির উদ্দিন। সেই থেকে অপরাধ কর্মে পথচলা তার। ইউনিট আওয়ামীলীগের সভাপতি থাকাকালীন শহরের বৈদ্যঘোনাস্থ বাইতুল ইজ্জত এলাকার আবছারের কাছ থেকে চাঁদার দাবীতে তার নির্মাণাধীন ঘরের কাজ বন্ধ করে দেয়। করোনার প্রথম ধাপে রামকৃষ্ণ মিশনের সামনে মুদী দোকানী সুভাষ সিকদারের কাছ থেকে চাঁদার দাবীতে তার সাঙ্গপাঙ্গ সহ দোকান সহ বসতঘর উচ্ছেদ করতে যায়। সেখানে গিয়ে সুভাষ ও তার স্ত্রীকে বেধড়ক পিটিয়ে দোকান ভাংচুরপুর্বক লুটপাঠ করেছে। তখন থেকে এখনো পর্যন্ত সুভাষ সিকদারের পরিবার আতংকে দিনাতিপাত করছে। একইভাবে, শহর আওয়ামীলীগের (মাস্টার মোস্তাফিজ -মোহাম্মদ হোসেন) কমিটির সহ-সভাপতি ও বৃহত্তর ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি মরহুম নবাব মিয়ার পুত্র (মুজিব – এড.গুন্দু) কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমান জেলা তাঁতী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বৃহত্তর বৈদ্যঘোনা সমাজ কমিটির সভাপতি এম.শরিফুল ইসলামের ছোট ভাই ফখরুল ইসলামের ওষুধের দোকানে (ফার্মেসী) চাঁদার দাবীতে তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় তারা দোকানদার ফখরুলকে ছুরিকাঘাত করে এবং লোহার রড় দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত কাটা ও ফুলা জখম করে। এমন হাইব্রিড নেতা ডাকাত আমির উদ্দিনের কারণে বৈদ্যঘোনার প্রায় পরিবারে ‘আমির উদ্দিন আতংক’ বিরাজ করছে ।
তেমনিভাবে আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ শরিফুল ইসলামের পরিবারও আতংকে দিনাতিপাত করছে। গতকালের ঘটনায় পরবর্তী সময়ে পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে আসলে শতশত মানুষ তার এহেন ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের সাক্ষী দেয়। ২০১২ সালের দিকে বৈদ্যঘোনার বাইতুল ইজ্জত এলাকায় এই ডাকাত আমির উদ্দিন্যা তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে মিস্ ফায়ারে তার হাতের আগুল চলে যায়। চিকিৎসায় তার হাতের কব্জি পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়। এসবের পরও ডাকাত আমির প্রকাশ হাতকাটা আমির শহর আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার আর্শীবাদপুষ্ট হওয়াতে কিছুদিন আগে ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়। এই দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এই আমির উদ্দিন আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে বলে দাবী এলাকাবাসীর।
Leave a Reply