সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
মাহাবুবুর রহমান।।
রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার এনপিও ভ্ক্তু শিক্ষক হয়েও শিক্ষা নীতিমালাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে গুপরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মোটা অংকের বিনিময়ে এনজিওতে চাকরী করছেন এক শিক্ষক। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ থেকে সবাই জানতেও দীর্ঘদিন সেই শিক্ষকথেকে মাসিক কমিশনের কারনে কেউ মুখ খুলেনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আবদুর রহমান। তিনি উখিয়া উপজেলার বাসিন্দা।
তবে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী একজন শিক্ষক সরকারি এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হলে অন্য কোন প্রতিষ্টানে চাকরী বা বেতনতুলা যাবে না। তবে সেই নীতিমালাকে সম্পূর্ন বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে শিক্ষক আবদুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি এনজিওতে চাকরী করে আসছেন। সেই এনজিও থেকে প্রতিমাসে অর্ধলাখ টাকা বেতন ভাড়া তুলছেন। একই সাথে দক্ষিণ মিছাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন। যদিও করোনাকালীন শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ থাকায় মাদ্রাসায় আসতে হয়না তাকে।
এ ব্যাপারে উক্ত মাদ্রাসার কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন,আবদুর রহমান এমপিু ভুক্ত শিক্ষক হওয়ার পরও একটি এনজিওতে চাকরী করছেন সেটা অনেকেই জানে তবে কেউ মুখ খলবেনা। কারন বিষয়টি প্রতিষ্টানের সভাপতি এবং অধ্যক্ষ সবাইকে ম্যানেজ করেই করছে।
এ ব্যপারে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম বলেন,আবদুর রহমান ইংরেজী বিভাগের এমপিও ভুক্ত শিক্ষক সেটা সত্য। তবে তিনি এক বছর আগে থেকে বি.এড করার জন্য প্রাতিষ্টানিক ভাবে ছুটিতে আছে। তাই এখন তার বিষয়ে আমার কিছু করার নেই। এ ব্যপারে অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে পারবে না বলে জানান।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ছালেহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, কোন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক এনজিওতে বা অন্যকোন প্রতিষ্টানে চাকরী করতে পারবে না। এটা প্রমানিত হলে তার এমপিও বাতিল হতে পারে। বিষয়েটি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply