সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
বার্তা পরিবেশক।।
কক্সবাজার জেলগেট কাটাপাহাড় এলাকায় আবছার বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আবদুর রহিম প্রকাশ রহিম ডাকাতের রামরাজত্ব চলছে। এলাকায় সামান্য কথা-কাটাকাটিতে দেশীয় অস্ত্র- সস্ত্রসহ দলবল নিয়ে মানুষের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় এই রহিম।
অভিযুক্ত আবদুর রহিম (৩৬) শহরের ৬নং ওয়ার্ডের পল্ল্যানকাটা তুলাগাছ তলা এলাকার আবদুল মোনাফের ছেলে। তিনি বর্তমানে আবাসিক এলাকাস্থ উত্তরণ সংলগ্ন কাটাপাহাড়ে (চিকনগলদি) বসবাস করে।
স্থানীয়রা জানান, কক্সবাজার শহরসহ জেলগেটের পুর্বপাশে ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি করতো বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকার সন্ত্রাসী আবছার বাহিনী। বাহিনী প্রধান আবছার মাস-দেড়েক আগে দেড় ডজন মামলা মাথায় নিয়ে শহর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে দলের দায়িত্ব নেন সেকেন্ড ইন কমান্ড রহিম ডাকাত। জেলগেটের পুর্বপাশে ডেরা করে এই রহিম। ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই এমন কোন কাজ নেই সে ও তার বাহিনী জড়িত নেই। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই সহ ৬/৭ টি মামলা থাকলেও নির্ভয়ে জেলখানার পাহাড় এলাকায় অপরাধ কাজ করে যাচ্ছে। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে নির্যাতন সইতে হয় নিরবে। তাকে আটক করে আইনের আওতায় এনে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
রবিবার (৮মে) সকাল ১০ টার দিকে ইসলামাবাদ কলাবাগান এলাকায় নাসিরকে হত্যার হুমকি দেয় আবদুর রহিম। ঘটনার প্রতিবাদ করায় দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র ও দলবল নিয়ে নাসিরকে মারধরের চেষ্টা চালায়। ওই সময় এলাকার মসজিদের ইমাম মোরশেদ ও একই এলাকার মিজান, পারভেছ, তানভীরসহ অন্যান্যরা এগিয়ে এসে ডাকাত রহিমকে কিরিচসহ আটকালে নাসির কোনমতে পালিয়ে বাঁচে। এ ঘটনায় এলাকায় আতংকের সৃষ্টি হয়। এই মুহূর্তে ‘বেপরোয়া রহিম’কে আইনের আওতায় না আনলে এলাকায় আইন-শৃংখলার অবনতির শংকা রয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন সচেতনমহল।
এই ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত আবদুর রহিমের মোবাইলে (০১৬৪৫-৯৩১৬৩৭) কয়েকবার কল দিয়েও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদের ছুটিতে আছি। কোন ধরনের তথ্য বা সহযোগিতা লাগলে সদর থানায় যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, শহর এলাকায় পুরাতন অপরাধীদের আমরা নজরে রাখছি। ভালপথে ফিরে না আসলে কোন ধরনের ছাড় নেই। আর অপরাধ কর্মকান্ড করে এলাকার শান্তি শৃংখলা নষ্ট করলে, সে যেই বাহিনীর লোক হোক, আইনের আওতায় আনা হবে।
Leave a Reply