সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
চকরিয়ায় আমির হত্যাঃ ঘটনার ২ দিন পার হলেও মামলা নেয়নি পুলিশ

চকরিয়ায় আমির হত্যাঃ ঘটনার ২ দিন পার হলেও মামলা নেয়নি পুলিশ

 

মোহাম্মদ ইলিয়াছ।।

চকরিয়ার আলোচিত মো. আমির হত্যা ঘটনায় ২ দিন পার হলেও এখন মামলা রেকর্ড করেনি থানা পুলিশ। এছাড়া এ ঘটনায় কাউকে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। তবে এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বার জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্ত্রী ছকিনা ইয়াসমিন।

সোমবার (২৩ মে) রাত ৮টার দিকে ডুমখালী খেলার মাঠে হত্যাকান্ডের এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের ভাগিনা নুরুল ইসলাম বলেন, সোমবার (২৩ মে) রাত ৮টার দিকে আমি ও মামা মালুমঘাট স্টেশনে বাজার করছিলাম। এসময় আবদুর রহমান ও সালাহউদ্দিন মোবাইলে বিচারের কথা বলে মামাকে ডুমখালী খেলার মাঠে যেতে বলেন। পরে আমি ও মামা মোটরসাইকেলে ডুমখালী খেলার মাঠে যাই। সেখানে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা যাওয়া মাত্রই চেয়ারম্যানের সামনেই আবদুর রহমান ও সালাহউদ্দিন মামাকে ঝাপটে ধরে হাত বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে তারা মামাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। এসময় ইউপি মেম্বার বলে উঠেন ‘শালাকে’ একেবারে মেরে ফেল। এরপর মামা পালানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে গুলি করা হয়। এসব দেখে আমি ভয়ে পালিয়ে চলে আসিনি।

নিহতের বড় ভাই আহমদ হোসেন বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হাসানুল ইসলাম আদরের পক্ষে কাজ না করায় চেয়ারম্যান আদর পরিকল্পিতভাবে আমার ভাই আমির হোসেনকে খুন করেছেন।

নিহতের স্ত্রী ছকিনা ইয়াসমিন বলেন, আবদুর রহমান একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তিনি ডুলাহাজারা ইউনিয়ন যুবদলের নেতা। আবদুর রহমান ও সালাহউদ্দিনকে তার গাড়ি করে এলাকায় ঘুরে বেড়ান চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর। তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খোলার সাহস করে না। আমরা স্বামীকে তারাই ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে। আমি আমার স্বামী খুনের দৃষ্টান্তমুলক বিচার দাবি করছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, আজ (বুধবার) দুপুরের দিকে নিহত আমির হোসেন স্ত্রী ছকিনা ইয়াসমিন একটি এজাহার দিয়েছেন। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরের সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ওসি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM