সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
মোহাম্মদ ইলিয়াছ।।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত মো. আমির হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ডুলাহাজারা ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহত মো. আমির হোসেন চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব ডুমখালী এলাকার কবির আহমদের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৬মে) মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী।
আসামিরা হলো, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর (৩৫), ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী এলাকার ইউছুপ মিয়ার ছেলে আবদুর রহমান (৩৬), ফরিদ আলমের ছেলে সালাহ উদ্দিন (৩২) ও মো. ছরওয়ার (৩৬), উলুবনিয়া এলাকার মৃত ছাবের আহমেদ ওরফে কালা সোনার ছেলে সিরাজ মিয়া (৩০) এবং ডুমখালী এলাকার ছাবের আহমদের ছেলে মো. রেজাউল (২৯),মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে আবু ছালাম (৪৮), জামাল উদ্দিনের ছেলে বাহাদুর মিয়া (৪৪), টুক্কু মিয়ার ছেলে ছরওয়ার আলম (৩৯) ও আকবর আহমদের ছেলে বাবু মিয়া (২২) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জন।
ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, মো. আমির হোসেনকে হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদার সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ মামলাটি নথিভূক্ত করেছে।
মামলার বাদী নিহতের স্ত্রী ছকিনা ইয়াছমিন বলেন, গত ২৩মে সোমবার রাত ৮টার দিকে আমার স্বামী মো. আমির হোসেন’কে বাড়ী থেকে সন্ত্রাসী আবদুর রহমান ডেকে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় মিঠাছড়ি নুরুল উলুম ইসলামিয়া হাফেজখানা মাঠে পৌঁছা মাত্র ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরের নির্দেশে আবদুর রহমান ও সালাহ উদ্দিনসহ অপরাপর সন্ত্রাসীরা আমার স্বামী আমির হোসেনকে জাপটে ধরে হাত বেঁধে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, ঘটনার এক পর্যায়ে আবদুর রহমান ও সালাহ উদ্দিনসহ অন্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। এসময় ওখানে উপস্থিত থাকা ইউপি চেয়ারম্যান আদরকে বলতে শোনা যায় শালাকে একেবারে মেরে ফেল। আহতবস্থায় আমির হোসেন পালাতে চেষ্টা করলে তাকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন তারা।
মামলার বাদী বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরের পক্ষে ভোট না করায় আমার স্বামী আমির হোসেনকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। হত্যাকান্ডে জড়িতরা সকলেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লালিত-পালিত দূর্বৃত্ত।
Leave a Reply