সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
নেদারল্যান্ডসে প্রশিক্ষণে গিয়ে না ফেরা পুলিশ সদস্য রাসেল’র পরিবারে কান্নার রোল

নেদারল্যান্ডসে প্রশিক্ষণে গিয়ে না ফেরা পুলিশ সদস্য রাসেল’র পরিবারে কান্নার রোল

 

বিশেষ প্রতিবেদক।।

নেদারল্যান্ডসে প্রশিক্ষণে গিয়ে না ফেরা পুলিশ সদস্য রাসেল চন্দ্র দে এর পরিবারে এখন চলছে কান্নার রোল। বাবা-মা, স্ত্রী ও বোন কোন ভাবেই বুঝে আসছে না, কেনো দেশে ফিরলো না? কেনো না নেদারল্যান্ড থেকে নানা পন্য সামগ্রীও কিনে ছিলেন তিনি, যা দেশে ফিরে স্বজনদের উপহার দেওয়ার কথা ছিল তার। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ না হলেও শুধুমাত্র কথা হয় দুবাই প্রবাসী বড় ভাইয়ের সঙ্গে। বড় ভাইকে রাসেল জানিয়েছিলেন, তিনি স্বেচ্ছায় নেদারল্যান্ডসে আত্মগোপন করেছেন।

কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পল্লানকাটা এলাকায় পুলিশ সদস্য রাসেল চন্দ্র দে এর বাড়ি।

সরেজমিনে জানা গেছে, বাবা-মা, বোন, স্ত্রী ও শিশু সন্তান নিয়ে রাসেলের পরিবার। বাড়ীটিতে ঢুকতেই দেখা মিলে রাসেলের বাবা লক্ষ্মণ চন্দ্র দে, মা রেবা রানীর দে, স্ত্রী পম্পি রাণী দে, বোন কমলা রাণী দে এর সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাসেলের তিন মাসের শিশুটি অসুস্থ। অসুস্থ শিশু সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও রাসেলের নেদার ল্যান্ডসে প্রশিক্ষণে যাওয়ার বিষয়টি স্বজনরা জানতেন। বিদেশ গিয়ে প্রশিক্ষণের ফাঁকে ঘুরাফিরার ছবি পাঠিয়েছেন স্ত্রীর মোবাইল ফোনে। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য কিনেছিলেন নানা উপহার সামগ্রীও। অথচ গত ২৩ মে থেকে পরিবারের সাথে রাসেলের যোগাযোগ নেই। পুলিশের তিন সদস্য বাড়ীতে গিয়ে স্বজনদের জানালেন রাসেল দেশে ফিরেননি। সেই থেকে আরো নিশ্চিত হয় তার পরিবার।

শত চেষ্টার পরও রাসেলের সঙ্গে ঘটেনি কোন ধরণের যোগাযোগ। পরে দুবাই প্রবাসী বড় ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাসেল জানায়, তিনি স্বেচ্ছায় নেদারল্যান্ডসে থেকে গেছেন। এরপর থেকে রাসেলের সঙ্গে পরিবারের কারো সঙ্গে কোন যোগাযোগ নেই।

প্রতিবেশীরা বলছেন, রাসেলের স্বভাব-চরিত্র ভাল। তারাও বুঝতে পারছেন না রাসেল কেনো বিদেশে থেকে গেছেন।

গত ৯ মে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের আট সদস্যের একটি টীম নেদারল্যান্ডসে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য যান। সেখান থেকে দলটির ৬ সদস্য দেশে ফিরলেও রাসেল চন্দ্র দে ও শাহ আলম নামের দুইজন ফিরেনি। এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তরে ‘মিসিং রিপোর্ট’ হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM