সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
ইমরান জাহেদ।।
কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন পালংখালী ইউনিয়নস্থ বালুখালী বাজার থেকে দুই ভূয়া র্যাব সদস্যকে আটক করেছে। তাদের কাছ পোশাক ও বিভিন্ন রকমের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
আটকরা হলো, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানাধীন রাজপাট এলাকার আকবর আলী মুন্সির ছেলে সুমন মুন্সি (৩০) ও কক্সবাজার উখিয়া থানাধীন ময়নারঘোনা এলাকার মৃত মোঃ আবুর ছেলেশহিদ সিকদার (৪০)।
৯ জুন রাত ৯ টায় র্যাব-১৫ এর এক আভিযানিক দল বালুখালি এলাকায় অবৈধ অস্ত্রসহ ২ জন সন্ত্রাসীকে আটক করে।
র্যাব-১৫ জানায়, র্যাব পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি, লুটপাট, ডাকাতি, অপহরণ ও ছিনতাই এর মত অপরাধমূলক কার্যক্রম করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত চক্রের সদস্যদের ধরতে র্যাব অত্র এলাকায় অভিযান জোরদার করে। তারই প্রেক্ষিতে র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে চক্রের প্রধান সুমন মুন্সি (৩০) ও তার অপর সহযোগী শহিদ সিকদার (৪০)কে র্যাব জ্যাকেট পরিহৃত অবস্থায় অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে। আসামীর দেহ তল্লাশী করে ২ টি দেশীয় পিস্তল, ২ রাউন্ড কার্তুজ, ২ টি ভুয়া র্যাব আইডি কার্ড, ২ টি র্যাব জ্যাকেট, ১ টি হাতকড়া, ২ টি পিস্তল কভার, ২ টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১৫ আরো জানায়, পবিত্র ঈদুল আয্হাকে সামনে রেখে সে এবং তার অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে র্যাব পরিচয় দিয়ে অপহরণপূর্বক ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের লক্ষে নিজ ঠিকানা গোপালগঞ্জ থেকে কক্সবাজারে আসলে র্যাব কর্তৃক গ্রেফতার হয় ও তার অপরাধের পরিকল্পনার কথা সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭ টি মামলা রয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি সুমন মুন্সি একই অপরাধের দায়ে র্যাব-১৫ এর কাছে গ্রেফতার হয়েছিল এবং ৪ এপ্রিল তার অপর দুই সহযোগী মোঃ ফয়েজ উদ্দিন (১৯) ও মোঃ আল আমিন (৩৩)’কে গ্রেফতার করেছিল র্যাব-১৫। গত ১৩ মে সুমন মুন্সি এবং তার অপর দুইজন সহযোগী মোঃ কাশেম ও শহিদ সিকদার সহ উখিয়া থানাধীন থ্যাইংখালী রোড হতে জনৈক রোহিঙ্গাকে র্যাব পরিচয় দিয়ে অপহরণপূর্বক তার কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরবর্তীতে ভিকটিম তাদেরকে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তাদের কাছ থেকে মুক্তি পায়। উক্ত অপহরণের বিষয়ে ভিকটিমের পরিবার র্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে, র্যাব ঘটনার সত্যতা যাচাই করে অপরাধীদের ধরতে অভিযানে নেমে সুমন মুন্সি ও শহিদ সিকদারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
Leave a Reply