অভিযোগ নেওয়ার ১০দিন পরও তা রেকর্ড না করে, উল্টো আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিয়ে দায় সারলেন কুতুবদিয়া থানার ওসি ওমর হায়দার।
ওসির নির্দেশে মামলা না নিয়ে ‘উপর থেকে ফোন এসেছে, আমার করার কিছু নেই, আপনি আদালতে যান’ অভিযোগকারীকে এমন কথা জানান থানার এসআই ওবায়দুল। মুলতঃ ওসির বরাত দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সম্প্রতি কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া এলাকায় ভূল চিকিৎসায় একটি গরু মৃত্যুর ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন রেহেনা বেগম নামে এক অসহায় নারী। অভিযোগের ১০ দিন পর পুলিশ কর্মকর্তার এমন আচরণে ব্যাপক হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, অদৃশ্য কারণে হাতুড়ে ডাক্তার হাবিবুর রহমানকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই এসআই ওবায়দুল। তিনি ভুয়া পশু ডাক্তার হাবিবের কাছ থেকে মোটা অংকের সুবিধা নিয়ে আমাকে ধোঁকা দিয়েছে। আমার লাখ টাকার গরুকে বাছুর বলে প্রচারণা চালাচ্ছে পুলিশ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বড়ঘোপ মগডেইল এলাকার আক্তার আহমেদের ছেলে হাবিবুর রহমান পেশায় পশু ডাক্তার দাবীদার। আলী আকবর ডেইল শান্তি বাজার রাহমানিয়া ভেটেরিনারী দোকানের সত্ত্বাধিকারী তিনি। প্রতারণার উদ্দেশ্যে পশু ডাক্তার পরিচয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গবাদি পশুর চিকিৎসা করে বেড়ায়। গত ৮ এপ্রিল উপজেলার চৌধুরী পাড়া এলাকার রেহেনা বেগমের একটি লাখ টাকা দামের গরুকে হাবিবুর রহমান ভূল ইনজেকশন প্রয়োগ করে। ফলে গরুটি মারা যায়। এ বিষয়ে বিচারের দাবিতে ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সুত্রে জানা গেছে, পশু ডাক্তার পরিচয়ধারী ভেটেরিনারি দোকানের মালিক হাবিবুরের বিরুদ্ধে গবাদি পশুকে অপ-চিকিৎসার অহঃরহ অভিযোগ রয়েছে। তার অপ-চিকিৎসায় পশু মৃত্যুর অভিযোগে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন পরিষদ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিচার চলমান রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর হায়দারের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply