সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক হয়রানি,৩ ফটোগ্রাফার আটক

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক হয়রানি,৩ ফটোগ্রাফার আটক

 

মো.শাহাদত হোছাইন।।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী মোড়ে ফটোগ্রাফারের কাছে হয়রানির শিকার হয়েছেন ঢাকা থেকে আগত একপর্যটক দম্পতি। এ ঘটনায় ৩ ফটোগ্রাফারকে আটক করে একজনকে এক হাজার টাকা অর্থদন্ড ও বাকী ২ জনের ক্যামেরা ও কার্ড জব্দ করে
জেলা প্রশাসন।

দন্ডপ্রাপ্ত ভুঁয়া ফটোগ্রাফার নুর মোহাম্মদ কলাতলী বিকাশ বিল্ডিং এলাকার বাসিন্দা। অন্য দুইজন সোহেল ও সুরেজ জেলা প্রশাসনের অনুমোদিত ফটোগ্রাফার।

শনিবার (২০আগস্ট) রাতে সৈকতের লাবণী পয়েন্টের জেলা প্রশাসনের অভিযোগ ও তথ্য কেন্দ্রে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

সুত্রে জানা গেছে, সৈকতে ফটো শিকারীদের ফাঁদে পড়ে পর্যটকরা নাজেহাল ও হয়রানী শিকার হচ্ছে এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ ধরনের অভিযোগে এক ভুঁয়া ফটোগ্রাফার সহ তিনজন আটকের পর একজনকে এক হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং ওই ভুঁয়া ফটোগ্রাফারকে সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত অন্য ২ জনের ‘ক্যামেরা ও কার্ড’ জব্দ করার আদেশ দেন পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো.মাসুম বিল্লাহ।

সুত্রে আরো জানা গেছে, ফটোগ্রাফারদের ড্রেস কোড থাকলেও নকল গেঞ্জি তৈরি করে অবৈধভাবে ছবি তোলা ও পর্যটক হয়রানী করে আসছিল নুর মোহাম্মদ। গত কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে আগত পর্যটকদের নাজেহাল ও হয়রানী অভিযোগ উঠে ভুঁয়া ফটোগ্রাফার নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। এতে অন্য দুইজন ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে তাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। বীচ কর্মীরা অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করা হয়। জব্দ করা হয় তিনটি ডিএসএলআর ক্যামেরা। রাতে সুগন্ধা পয়েন্টে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে একজনকে ১ হাজার টাকা অর্থ দন্ড দেয়া হয়।

পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, পর্যটক হয়রানিতে যে জড়িত থাকুক এতে কোন ছাড় নেই। আমরা বীচের ফটোগ্রাফারদের ডাটা সংরক্ষণ করেছি। এখানে অবৈধ বা ভুঁয়া ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। আমরা মুহূর্তেই আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। এ ব্যাপারে সংবাদকর্মীসহ বীচের সকল ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এদিকে, অভিযুক্ত ভুঁয়া ফটোগ্রাফার নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং আর কখনো বীচে না নামারও মুচলেকা প্রদান করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM