সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগের বিতর্কিত সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবরের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সংবাদ সম্মেলন

কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগের বিতর্কিত সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবরের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সংবাদ সম্মেলন

শহর প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবরে নির্যাতনের শিকার আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের দাবি সমুহ হুবহু তুলে ধরা হলোঃ

আমরা কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাধারণ নেতাকর্মী হই । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম ও উন্নয়নমুলক কাজে সক্রিয় ভুমিকা পালন করে আসছি। আমরা কুতুবদিয়া আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা একটি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি । এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বিতর্কিত সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ফ্রিডম পার্টির সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর। আমরা সম্মানিত সাংবাদিক ভাইদের সামনে আওরঙ্গজেব মাতবরের বিতর্কিত কর্মকান্ড উপস্থাপন করছি ।

সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ
১ । কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরঙ্গজেব মাতবর উপজেলা ফ্রিডম পার্টির সভাপতি হয়েও অদৃশ্য শক্তির কারণে ২০১৫ সাল থেকে অদ্যাবদি পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে ফ্রিডম পার্টি, জামাত, বিএনপি মিলে লুঠতরাজ করে দলকে জিম্বি করে রেখেছে ।
২ । তিনি উপজেলা সভাপতি হয়ে ফ্রিডম পার্টি, জামাত, বিএনপি সিন্ডিকেটের আধিপাত্য বিস্তার করতে ২০১৫ সাল থেকে এই পর্যন্ত ৭০ জনের উপর ত্যাগী সাবেক উপজেলা সভাপতি/সম্পাদক, ইউনিয়ন
সভাপতি/সম্পাদক, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি/সম্পাদক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মেরে দল ছাড়া করেছেন । যেন তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে না পারে, যার ফলস্বরুপ তিনি সরকারি/বেসরকারি উন্নয়ন মূলক কাজে চাঁদাবাজি (পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারিদের মেরে রক্তাক্ত করে ছিলেন, যার করণে মামলা খেয়ে জেলে গিয়েছে)। কুতুবদিয়ার জলদস্যু ও ইয়াবা ব্যবসায়ী এবং ভূমিদস্যুদের গড়ফাদার হিসেবে সেল্টার দেওয়ায় কুতুবদিয়া আওয়ামী রাজনীতি অত্যন্ত বিতর্কিত করে ফেলেছে।
৩। গত ১৯ আগষ্ট ২০২২ ইং উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় লেমমীখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক (নৌকা চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী) রেজাউল করিম বি.এ (অনার্স )এম এ ব্যক্তব্য দেওয়ার সময় বলেন, বঙ্গবন্ধু খুনি মেজন ডালিম, শাহরিয়ার, রশিদ বঙ্গবন্ধকে খুন করে শান্ত হয়নি। তাহারা কুতুবদিয়ায় মিটিং করে ছিলেন সে মিটিংএর সভাপত্বি করেছিলেন ফ্রিডম পার্টির সভাপতি আরঙ্গজেব মাতবর। আজ তিনিও আওয়ামী লীগকে খুন করতে পরিকল্পিত ভাবে কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে ত্যাগী নেতাদের মেরে ও বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে দল ছাড়া করেছেন। এবং সাবেক ৩২ বছরের উপজেলা সভাপতি ও ৪ বছর সাধারণ সম্পাদক ২৪ বছরের চেয়ারম্যান জনাব মরহুম ছৈয়দ আহম্মদ কুতুবী গত ১৭ই আগষ্ট ২০২১ইং মারা গেলেও অদ্যবদি ০১ বছর ২ দিন হলেও তাহার জন্য একটা শোক সভা করেননি বললেই তিনি পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে নীচতলার সিড়ির গ্রীল বন্ধ করে দিয়ে সভা স্থলে মাইক কেড়ে নিয়ে তিনি সহ তাহার লালিত ক্যাডাররা তাকে মারতে মারতে রক্তাক্ত করে মাটিতে ফেলে দিলে কর্মীরা উদ্ধার করে তাকে কুতুবদিয়া হাসপাতালে নিলে রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে সদর হাসপাতালে রেফার করে ৭দিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা করেন। ৩ দিন পর জেলা সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক উক্ত গঠনা ও তাহারা বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগের ভিত্তিতে ০৩ সদস্য বিশিষ্ট একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে রিপোর্ট দিতে বলেন । কমিটির সদস্যরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এম আজিজুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডঃ রণজিত দাশ ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম কুতুবী । উক্ত তদন্ত কমিটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তদন্ত করে সকল গঠনা সত্যতা প্রমাণ পেলে তাহারা লিখিত আকারে রিপোর্ট পেশ করেন। তাতে উল্লেখ করেন তিনি ফ্রিডম পার্টির সভাপতি ছিলেন, ১৯ তারিখের গঠনা সত্য, ও পূর্বে তিনি ৭০ জনের উর্ধ্বে
ত্যাগী নেতা কর্মীকে মেরে দল ছাড়া করেছেন। সুতারাং সুষ্ট নিরেপেক্ষ ওয়ার্ড, ইউনিয়ন সম্মেলন করতে তাহাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যহতি দিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু তাহার কালো টাকার কারণে কোন বিচার
হচ্ছেনা।
৪ । গত ইউপি নির্বাচনে তাহার পছন্দের অ-রাজনৈতিক ব্যক্তিদের শেখ হাসিনা নমিনেষণ না দেওয়ায় ক্ষোভে
পরিকল্পিত নেত্রীকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে ৪টি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী দিয়ে নৌকার বিরোধিতা করে, নৌকাকে
পরাজিত করে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ী করেন ।
৫। তিনি ২০১৫ সাল থেকে উপজেলা সভাপতি হয়ে ফ্রিডম পার্টি, জামাত, বিএনপি মিলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে উপজেলা আওয়ামী লীগকে জিম্বি করে ফেলে । ত্যাগী নেতাদের বিভিন্ন ভাবে শাররিক মানসিক ও মামলা দিয়ে নির্যাতন করে দল ছাড়া করতে থাকায়-কুতুবদিয়ার সকল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও উপজেলা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক মিলে যৌথ রেজুলেশন করে কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে ২০১৭ সাল থেকে অনেক লিখিত অভিযোগ করেও অদ্যবদি কোন কাজ হয়নি। উপজেলা সম্মেলন কে সামনে রেখে আমরা কোন প্রতিকার না পাওয়ায় সভানেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলন।
৬ । কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরঙ্গজেব মাতব্বর জামাত পরিবার ও রাজাকার পরিবারের সন্তান, তাহার এক ভাই সেলিম চট্টগ্রামের আলোচিত ৮ মার্ডারের সাজাপ্রাপ্ত ৪নং আসামী, অন্য ভাই রুবেল শিবিরের অস্ত্রধারী ক্যাডার, অন্য ভাই আজমগীর মাতবর সাবেক শিবিরের সভাপতি হয়ে বর্তমানে জোরপূর্বক কৈয়ারবিল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি। আওরঙ্গজেব ফ্রিডম পার্টির সভাপতি হয়েও বর্তমানে কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ।
৭। তাহার ভাইরা ভাই এইচএম. হামিদুর রহমান আজাদ (সাবেক এমপি) কেন্দ্রীয় জামাতের এসিষ্ট্রেশন সেক্রেটারী জেনারেল । জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি (সাবেক এমপি) এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী তাহার চাচা শ্বশুর । কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ তার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি । উল্লেখ্য যে উপজেলা সভাপতি গত ইউপি নির্বাচনে তাহাদের পছন্দের প্রার্থীদের নেত্রী নৌকার নমিনেশন না দেওয়ায় নৌকা প্রার্থীর বিরোধিতা করে হারিয়ে দেন। যেমন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিল্পব বড়ুয়া অন্যন্য ইউনিয়নের মত লেমশীখালীর নৌকার প্রার্থীর পক্ষে এলাকার জনমত জানতে চাইলে জেলা সভাপতি শ্রদ্ধেয় এডঃ ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী তাহাকে বলেন, রেজাউল কে নমিনেশন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভুল করেছেন। কারণ তিনি অযোগ্য, অজনপ্রিয়, তিনি সর্বোচ্চ ৪০০ ভোট পাবে, জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বলে মন্তব্য করে বিপ্লব বড়ুয়া কে বিব্রত করেছেন। তাতে জেলা সাভাপতি শ্রদ্ধেয় এডঃ ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বিতর্কিত সভাপতি আওরঙ্গজেব শত বিরোধিতা করলেও রেজাউল সুষ্ট
নিরেপেক্ষ কাস্টিন ৯ হাজার ভোটের মধ্যে ৫ হাজার ভোট পেয়েও অত্র জেলায় রেকর্ড করেছেন। তবে তাহারা রেজাল সীট পরিবর্তন করে বিএনপির প্রার্থীকে কোটি টাকার বিনিময়ে বিজয় করেন। তাই জেলা নেতৃবৃন্ধের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে কুতুবদিয়া উপজেলার ফ্রিডম পার্টির সভাপতি আরঙ্গজেব মাতবর কে দলের স্বার্থে উপজেলা সভাপতির পদ থেকে বহিস্কার করতে তৃণ্যমল আওয়ামীলীগ দফায় দফায় মিছিল মিটিং
সমাবেশ করে যাচ্ছে।
# এই পর্যন্ত আওরঙ্গজেব মাতবর ও আজমগীর মাতবর কর্তৃক যারা মারধর ও লাঞ্চিত হয়েছেন তারা হলেন চাঁদা না দেওয়ায় কক্সবাজারের সাবডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার, উপসহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মহসিনকে দিন দুপুরে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এঘটনায় মামলা হলে আওরঙ্গজেব মাতবর দীর্ঘদিন জেল হাজতে ছিলেন। নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা মারধর ও লাঞ্চিত হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা, কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি (৩২ বছর) ছৈযদ আহমদ কুতুবী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুচ্ছফা বিকম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মাস্টার আহমদ উল্লাহ, লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ধুরুং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শফিউল মোরশেদ চৌধুরী, উপজেলা
আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া খান কুতুবী, উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সরওয়ার আলম চৌধুরী, দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহের হোসেন কোম্পানী, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম সিকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম, লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কাইছার, জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফরিদ উদ্দিন
তালুকদার, উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমরান, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মনছুর রাব্বি, দক্ষিণ ধুরুং ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফোরকার, ৫নং ওয়ার্ডে সিনিয়র সহসভাপতি আজিজুল হক, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক প্রয়াত মোসলেম খান, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোছলেহ উদ্দিন,বড়ঘোপ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক হেলাল উদ্দিন, হাজি আনোয়ার আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শহিন চৌধুরী, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা পুলিণ বিহারী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম লালা, আলী আকবর ডেইল আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব, লেমশীখালী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাইল, ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোক্তার আহমদ, বড়ঘোপ ইউনিয়নের আমির হোছাইন ।এছাড়া আরো অনেক নেতাকর্মী আওরঙ্গজেবু মতবর কর্তৃক মারধর ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM