সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
বার্তা পরিবেশক।।
কক্সবাজার পৌরসভার পানবাজার সড়কস্থ বাটা মার্কেট এলাকায় পর্যটককে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছিনতাইকারী দল পর্যটকের নগদ টাকা, স্বর্ণ লংকার ও ক্রয়কৃত মালামাল নিয়ে যায়। ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাত ও হাতাহাতিতে ২ জন আহত হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করান। এসময় স্থানীয় এক যুবক বাঁধা দেওয়ায় তাকেও মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ছিনতাইয়ের শিকার মোহাম্মদ রাজু আহমেদ (৩০) ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানাধীন ধীতপুর শান্তিগঞ্জ এলাকার ১নং ওয়ার্ডের মোঃ মঈজ উদ্দিন আহমদের ছেলে।
সোমবার (১৪নভেম্বর) রাত ৮ টার দিকে শহরের পানবাজার সড়কস্থ বাটা মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার আহত স্থানীয় যুবক সাদ্দাম হোসেন জানান, কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম নতুন বাহারছড়া এলাকার মোঃ ইসমাইলের ছেলে জাফর আলমের নেতৃত্বে ছিনতাইয়ের এ ঘটনা ঘটে। তার সাথে আরো ৮/১০ জন ছিল। প্রত্যেকের হাতে ছিনতাই করার ছোরা রয়েছে। তাদের ভয়ে কেউ না আগাইলেও আমি এগিয়ে যাওয়ায় আমাকেও মারধর করছে তারা।
এ বিষয়ে ছিনতাইয়ের শিকার আহত
ছিনতাইয়ের শিকার পর্যটক মোহাম্মদ রাজু আহমেদ জানান, তিনি একজন শুটকি মাছ ব্যবসায়ী ও ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা। তিনি ১৩ নভেম্বর স্বপরিবারে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। ১৪ নভেম্বর কেনাকাটা করার জন্য ঘটনাস্থল কক্সবাজার পৌরসভার পানবাজার সড়কহ বাটা মার্কেটের উত্তর পার্শ্বের মার্কেটে পৌঁছিলে আসামী জাফর আলম ও তাহার সংগীয় অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জন অতর্কিত হাতে ছুরি, খোর নিয়ে আমাদের উপর আক্রমণ করে। আসামী জাফর আলম তাহার হাতে থাকা ছুরি আমার পেঠে ধরিয়া হত্যার ভয় দেখায় এবং নগদ ১লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ছিনিয়া নেয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামীরা আমার স্ত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন (মূল্য ৮০ হাজার টাকা) এবং শপিং করা প্রায় ১২ হাজার টাকার কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়া নেয়। অ্যাসামীরা আমাকে ও আমার সঙ্গীদের এলোপাতাড়ী কিল, ঘুষি ও লাথি মারিয়া জখম করে। আমাদের শৌর চিৎকারে মার্কেটের লোকজন ও পথচারীরা আসামীদের কবল হতে আমাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আসামীদের এই মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনা সি.সি ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজ আছে। এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জানান, এ ঘটনায় রাতে একটি এজাহার পেয়েছি। তদন্ত কাজ চলছে। তদন্তে ওই ঘটনার সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রাথমিকভাবে এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা মনে হচ্ছে বলে দাবী করেন তিনি।
Leave a Reply