সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
বিশেষ প্রতিবেদক।।
কক্সবাজার জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত
চেয়ারম্যান শাহীনুল হক মার্শাল বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে বাংলাদেশ আজকে বিশ্বের ‘রোল মডেল’। শেখ হাসিনা তৃতীয় বারের মতো রাস্ট্র ক্ষমতায় থেকে বাংলাদেশে অভুতপুর্ব উন্নয়ন করেছে। উন্নয়নের ছোঁয়া দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায়ও লেগেছে। কুতুবদিয়ার প্রধান সমস্যা বেড়িবাঁধ ও বিদ্যুতের কাজ এখন শেষের দিকে। জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে লবণ আমদানী বন্ধ থাকায় কুতুবদিয়ার কৃষকেরা ন্যায্যমুল্য পাচ্ছেন এবং আগামীতেও পাবেন। তাই আগামীতে শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১২ টার দিকে কুতুবদিয়া উপজেলার ইলহাম কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আকতার বিউটির সভাপতিত্বে কুতুবদিয়ার
জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিনুল হক মার্শাল বলেন, নির্বাচিত হয়ে চেয়ারে বসে প্রথমেই কুতুবদিয়াতে মতবিনিময় সভা করেই আমার দায়িত্বপালন শুরু করছি। আপনাদের দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করেছি। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকাল ২টা পর্যন্ত আমাকে আপবারা জেলা পরিষদের অফিসে পাবেন। কোন সংকোচ ছাড়াই আমার অফিসে আপনারা আসবেন। বিভিন্ন হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে আপনারা যে আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন, তার প্রতিদান আমি দিবো। দলমত নির্বিশেষে আমার বাবা একেএম মোজাম্মেল হকের মতো আমিও আপনাদের সেবা করতে চাই।

এছাড়া, কুতুবদিয়ায় নিহত এক ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের পরিবারকে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এক লক্ষ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন তিনি। দায়িত্ব থাকাকালীন যেকোন মেম্বার মারা গেলে এক লক্ষ টাকা করে নিহতের পরিবারকে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি। জেলার আওতাধীন সকল উপজেলার চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার ও পৌরসভার সকল মেয়র-কাউন্সিলর গণকে ‘জেলা পরিষদের রুম’ নামমাত্র ভাড়াতে ব্যবহারের অনুরোধ জানান।
এদিকে, উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা কুতুবদিয়া বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন এবং নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সকল সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া, কুতুবদিয়ার বেড়িবাঁধ টেকসই করা না হলে কিংবা কাজের মধ্যে কোন দুর্নীতি হলে কুতুবদিয়াবাসীর সাথে যেকোন আন্দোলনে সাথে থাকবেন বলে জানান তিনি।
এর আগে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মালেক শাহ (রাঃ) এর মাজার শরীফ জিয়ারত করেন। পরে কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়নের দক্ষিণ আমজাখালীতে সম্প্রতি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের দেখতে যান এবং তাদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।
লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল বশরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন-জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য তানিয়া আফরিন, হুমায়রা বেগম, সাধারণ সদস্য নুরুল ইসলাম ভুট্টো, ফরিদুল আলম, এইচএম শওকত, চকরিয়ার কোনাখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম সিকদার,আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সিকদার, দক্ষিণধুরং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ, উত্তরধুরং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম, এড. ফিরোজ আহমদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মোনাফ সিকদার।
এতে উপস্থিত ছিলেন, কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান, বড়ঘোপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম, চকরিয়ার পৌরসভার কাউন্সিল মো.হানিফ, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহমদ ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউপি সদস্যগণ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ।
Leave a Reply