সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
কক্সবাজারের ১০১ ইয়াবা কারবারীকে ১৮ মাস করে কারাদণ্ড

কক্সবাজারের ১০১ ইয়াবা কারবারীকে ১৮ মাস করে কারাদণ্ড

কাজল কান্তি দে।।

কক্সবাজারের টেকনাফে ইয়াবা কারবারি হিসেবে আত্মসমর্পণ করা ১০১ জনের প্রত্যেককে ১৮ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ইয়াবা মামলায় শাস্তি দেওয়া হলেও অস্ত্র মামলায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মো: ইসমাইল হোসেন এ রায় দেন।

এ রায়ে সন্তুষ্ট জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ফরিদুল আলম জানান, ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে এই রায়ের মাধ্যমে মাদক নির্মূলে সমাজে একটি বার্তা যাবে।

এজলাস থেকে বেরিয়ে আসামী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, আত্মসমর্পনটি ছিলো তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপের পদক পাওয়ার লোভে সাজানো নাটক। আত্মসমর্পনের জন্য ১০২ জনকে আগে থেকেই পুলিশ লাইনে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে বন্দী রাখা হয়।

তিনি আরো বলেন, প্রমাণ না হওয়া স্বত্বেও সমাজে যেনো ভুল বার্তা না ছড়ায়, তাই আদালত আসামীদের নামমাত্র (প্রতীকি শাস্তি) শাস্তি দিয়েছে জানিয়ে জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী আরো বলেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন কিনা সেই বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেবেন।

উল্লেখ্য, গত ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে ৩ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা এবং ৩০ টি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ১০২ জন ইয়াবা কারবারি৷ এই ঘটনায় অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করে পুলিশ। পরে মামলার বিচারকার্য চলাকালীন সময়ে একজন আসামী মারা যান।

এদিকে, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ছিলো সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদীর আপন ৪ ভাই (আব্দুল আমিন, আব্দুর শুক্কুর, শফিকুল ইসলাম, ফয়সাল রহমান), ভাগিনা সাহেদ রহমান নিপু, চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আলম, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ ও তার বড় ভাই আব্দুর রহমান, বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদের ছেলে দিদার মিয়া, টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল বশর নুরশাদ ও টেকনাফ সদর ইউনিয়নের এনামুল হক এনাম মেম্বারসহ ১০১জন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM