সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
একরাম জুয়েল।।
কক্সবাজারের নাজিরারটেক সাগর মোহনায় ভাসমান ফিশিং ট্রলার থেকে উদ্ধার করা ১০ জনের মরদেহের মধ্যে ৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
হস্তান্তর করা ৬ টি মরদেহ হলো, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলাপাড়া গ্রামের মোঃ রফিকের ছেলে ও ফিশিং ট্রলার মালিক শাসমুল আলম, চকরিয়া উপজেলার কোনাখালি ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা জসিম উদ্দিনের ছেলে তারেক, একই এলাকার মৃত শাহআলমের ছেলে মো.শাহজাহান, মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের জাফর আলমের ছেলে শওকত উল্লাহ, মুসা আলীর ছেলে মোঃ গনি ওসমান ও মো. হোসেনের ছেলে নুরুল কবির। বাকি ৪ জনের মরদেহ নিয়ে ডিএনএ টেস্টের ফলাফলের উপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
ডিএনএ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ ও ময়না তদন্তের পর স্বজনদের সনাক্তের উপর ভিত্তি করে মরদেহগুলো হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. শাহীন ইমরান ও পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম।
সোমবার রাত ৮ টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে একে একে মরদেহগুলো স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকী ৪ টি মরদেহ ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর করার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল হিমঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
তারা জানিয়েছেন, স্বজনদের সনাক্তের উপর ভিত্তি মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৪ জনের স্বজনরা সঠিকভাবে মরদেহ সনাক্ত করতে না পারার কারণে সেগুলো দেওয়া হয়নি।
আগামীকাল বুধবার মরদেহগুলো দাফনের পর স্বজনরা এই ঘটনায় মামলা করবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
এদিকে, নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে পঁচিশ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মো.শাহীন ইমরান।
প্রসঙ্গতঃ রবিবার (২৩ এপ্রিল) ভাসমান ফিশিং ট্রলার থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাছ ও বরফ রাখার স্টোর থেকে গলিত মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছিল।
Leave a Reply