বিশেষ প্রতিবেদক।।
কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী এলাকার সোর্স পরিচয়দানকারী চোরাকারবারীরা বিজিবিকে ভুল তথ্য দিয়ে বুজরুছ মিয়া ও কর্মচারী মো. ইসমাঈল কে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদক (ক্রিস্টাল মেথ) আইস দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী দুটি পরিবার এ অভিযোগ তুলেন।
লিখিত বক্তব্যে বুজরুছ মিয়া স্ত্রী মিনুয়ারা বেগম দাবী করেন, বালুখালী বাজার কমিটির নির্বাচন নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয় মো.মহিন, মো. আলমগীর আলম, মো. মনির, আশিকুল আলম প্রকাশ আশিইক্কা নামে বালুখালী এলাকার চিহ্নিত চার চোরাকারবারী ও তাদের গঠিত সিন্ডিকেটের পরিচালনায় বালুখালী ক্যাম্পের ভিতরের রাস্তা দিয়ে নিয়মিত মাদকসহ অবৈধ পণ্যের চালান নিয়ে যায়। ১৯ এপ্রিল রাতে সোর্স পরিচয়ে স্থানীয়দের জিম্মি করে রাখা উল্লেখিত ৪ ব্যক্তি ও তাদের সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে কয়েকজন রোহিঙ্গা কাঁধে বহন করে মাদকের চালান আনার সময় আমার স্বামী বাঁধা প্রদান করেন। তারা আমার স্বামীকে পরবর্তী দেখিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে ক্যাম্পের ভিতর থেকে ৪ সোর্স মিলে বুজরুছমিয়া ও কর্মচারী মোঃ ইসমাঈলকে ভুল তথ্য প্রদান করে বিজিবি সদস্যদের হাতে তুলে দেয়। যা ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানের ভিডিও ফুটেজে ধারন করা আছে। পর দিন শুনতে পাই আমার স্বামী ও কর্মচারীসহ তিনজনকে বিপুল পরিমান (ক্রিস্টাল মেথ) আইসসহ সীমান্ত থেকে ধরে আনা হয়েছে।
বিজিবি কর্তৃক জব্দকৃত মাদক গুলো তার স্বামীর নয় উল্লেখ করে মিনুয়ারা বেগম বলেন, ক্যাম্প- ৯ এর খামারবাড়ি থেকে আমার স্বামী এবং কর্মচারী কে ধরে নিয়ে আসার সময় বিজিবির গাড়িতে বা আমার স্বামী এবং কর্মচারীর সাথে কোন ধরণের অবৈধ্য মাদক ছিল না। যা ক্যাম্প- ৯ এর খেলার মাঠ পয়েন্টে দায়িত্বরত এপিবিএন সদস্যরা ও দেখেছেন। বিজিবি সদস্যরা আমাদের দেশের সম্পদ তাদের সাথে আমাদের কোন ধরণের মনোমালিন্য থাকার কথা নয়। তারা ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে বুজরুছ মিয়ার স্ত্রী, মেয়ে, ইসমাঈলের মা বাবা ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply