সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
কাজল কান্তি দে।।
অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কক্সবাজারকে ১০নং মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মানুষের জানমাল রক্ষায় কক্সবাজারে ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে উপকূলীয় ও নিম্ন এলাকার ৩৫ হাজার মানুষ এযাবৎ আশ্রয় নিয়েছেন।
শনিবার (১৩ মে) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত তারা আশ্রয়ণকেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোলরুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, জেলায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৮ হাজার ৬শ জন এবং রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ২ হাজার ২শ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। সেন্টমার্টিনে নেভি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও রিসোর্ট সহ মিলিয়ে ৩৭টি স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনা সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে।
এছাড়া, দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য ২০ লাখ নগদ টাকা রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ১০ লাখ টাকা উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ৫.৯০ মেট্রিক টন চাল, ৩.৫ মেট্রিক টন টোস্ট বিস্কুট, ৩.৪ মেট্রিক টন শুকনা কেক, ১৯৪ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০ হাজার প্যাকেট ওরস্যালাইন ও ৪০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুত রাখা হয়েছে বলে জানান ডিসি।
শনিবার (১৩ মে) সকাল থেকে মেডিক্যাল দল, কোস্ট গার্ড, নৌ-বাহিনী, পুলিশ, নৌ-পুলিশ, জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক দল, স্কাউট দল, আনসার বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনের ৬৮টি হোটেলকেও আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করেছে হোটেল মালিক কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিনের ৩ হাজার মানুষ টেকনাফ এসে আশ্রয় নিয়েছেন। সেন্টমার্টিনেও ৩৭ টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া, জেলায় যে ৫৭৬টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে, সেগুলোতে ৫ লাখের বেশি লোক রাখা যাবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে
Leave a Reply