মুহাম্মদ জুবাইর।।
কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি’র) রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকাল দশটায় দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার সেন্ট্রাল রিসোর্ট হলরুমে এই সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী সম্মেলনে সকাল সাড়ে ১০ টায় শুরু হয়ে সাড়ে ১১ টায় শেষ হয়।
সম্মেলনে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী-১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এইচটেট লুইন সেই দেশের ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। আর বাংলাদেশের পক্ষে ১৫ জন সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসম-উস সাকিব। এই সম্মেলনে সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস দমন ও দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহতকরণ, মাদকদ্রব্য চোরাচালান প্রতিহতকরণ (বিশেষতঃ ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইস) সীমান্তে গুলিবর্ষণ, সীমান্তে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (.আইইডি) স্থাপন, অসতর্কতা / ভুলবশতঃ অথবা ঝড়ের কবলে পড়ে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশকৃত ধৃত বাংলাদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত চুক্তি-১৯৮০ অনুযায়ী দ্রুত ফেরত প্রদানের বিষয়টি ত্বরান্বিত ও সহজীকরণ, উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ত্বরিত যোগাযোগ স্থাপনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ সমন্বিত টহল পরিচালনা ও সীমান্ত পিলার পরিদর্শন, ইত্যাদি নানাবিধ বিষয়ের উপর বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসম-উস সাকিব।
২৪ মে বুধবার সকালে দুই দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ‘সেন্ট্রাল রির্সোট’ এর সম্মেলন কক্ষে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়ে আজ শেষ হয়। দুপুর ১২ টায় মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা দেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।
Leave a Reply