সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
কক্সবাজার জেলা পরিষদের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত শুরু

কক্সবাজার জেলা পরিষদের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত শুরু

 

কাজল কান্তি দে।।

কক্সবাজার জেলা পরিষদের নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কর্মচারী আইয়ুব আলীকে হত্যাসহ বিভিন্ন দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহিনা সুলতানার নেতৃত্বে তদন্ত টিম কক্সবাজার আসেন।

অভিযুক্ত রেজাউল করিম কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের উত্তর বড়ঘোপ এলাকার মৃত ইসলাম হাজীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল ১১ টায় কক্সবাজার জেলা পরিষদে তদন্তে আসেন ওই তদন্ত টিম। তদন্ত টিমের শুনানীতে অংশ নেন অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীরা।

এসময় তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নিম্নমান সহকারী রেজাউল করিমের মানসিক যন্ত্রণায় আত্মহত্যা করা কর্মচারী আয়ুবের স্ত্রী, অভিযোগকারী আব্বাস উদ্দিন, অভিযুক্ত রেজাউল সহ বিভিন্ন ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলেন। দুপুর ২ টা পর্যন্ত চলে তদন্ত ও শুনানী।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা বলেন, তদন্ত চলছে, তদন্তের বিষয় শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুল হক মার্শাল দাবী করেন জেলা পরিষদ একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান রক্ষার স্বার্থে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজের শাস্তি হোক।

এদিকে, নিহত সিকিউরিটি গার্ড আইয়ুব আলীর স্ত্রী মমতাজ বেগম জানান, “স্বামী হত্যার বিচার চাই। এই বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের শাস্তি দাবী করছি।”

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর (বুধবার) বিকাল ৪টার দিকে জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর ১৯নং কক্ষ থেকে আয়ুব আলীর (৩৭) লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। নিহত আয়ুব চকরিয়া উপজেলার হরিয়াঘোনা এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে এবং জেলা পরিষদের কর্মচারী অভিযুক্ত রেজাউল করিমের অফিস সহকারী ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM