বিয়ের ফাঁদে ফেলে সৌদি প্রবাসীকে নিঃস্ব করার অভিযোগ উঠেছে শাহানা রমজান নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত নারী রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামের ছালেহ আহমদের মেয়ে।
সুত্রে জানা গেছে, ২২ সালের ২০ মার্চ শাহানা রমজান বিয়ে করেন বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নের প্রেমাশিয়া গ্রামের আবুল খাইরের ছেলে হাফেজ নুরুল আলমকে। নিকাহনামা অনুসারে ৬ লক্ষ টাকা দেনমোহরে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে করে। তিন লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড়চোপড় দেওয়া হয় বরের পক্ষ থেকে। পরে তার দেওয়া যাবতীয় টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড়চোপড় নিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যায়। এই বিষয়ে সৌদি প্রবাসীর স্বজনরা রামু থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি। এদিকে, ওই ঘটনায় ওই নারীর পিতা বাদী হয়ে রামু থানায় জিড়ি করেন তার দুই মেয়ে ও পরকিয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী সৌদি প্রবাসীর পরিবার সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্বামী হাফেজ নুরুল আলম বর্তমানে হাসপাতালে রোগশয্যায় শায়িত। ওই প্রতারক নারী তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে, বিবাহ বাবদ ও খরচের জন্য ৭ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে নজির আলম সাথে তার যে পরকিয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে নিরুদ্দেশ রয়েছে। স্ত্রীকে ফিরে পেতে বিভিন্ন জায়গায় তদবীর করেও প্রতিকার না পাওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রবাসী নুরুল আলম।
স্থানীয়রা জানান, শাহানা রমজান একজন প্রতারক মহিলা। সে তালাক প্রাপ্তও। সে প্রবাসীদের টার্গেট করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে সুকৌশলে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেয়। তার প্রেমের ফাঁদে পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন একাধিক ব্যক্তি এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। ওই প্রতারক মহিলার বিরুদ্ধে স্বয়ং তার পিতা সালেহ আহমদ সৌদি প্রবাসী হাফেজ নুরুল আলমের সাথে শাহানা রমজানের বিবাহের কামিননামা মেয়ের কারণে অকার্যকর হওয়ার অভিযোগে তুলে রামু থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তিনি দাবী করেন, জামাতা হাফেজ নূরুণ আলমের দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার, বিভিন্ন সামগ্রী বাবদ প্রদানকৃত টাকা ও গৃহ নির্মাণ বাবদ জমি ক্রয়ের জন্য দেওয়া টাকা ফেরৎ প্রদান করার জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
Leave a Reply