সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
উখিয়ার সোনারপাড়ায় উপকূল পরিচ্ছন্নতা দিবস উদযাপন

উখিয়ার সোনারপাড়ায় উপকূল পরিচ্ছন্নতা দিবস উদযাপন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কক্সবাজারের উখিয়ায় সোনারপাড়া উপকূলে ওয়ার্ল্ডফিশ ইকোফিশ-২ প্রকল্পের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দিনব্যাপি সোনারপাড়া বীচে পরিচ্ছন্নতার আয়োজন করা হয়। এতে দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এই আয়োজনে ল্যান্ডিং সেন্টার ভিত্তিক মৎস্য সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (LFCC), সুনীল প্রহরী (যারা ইকোফিশ-২ প্রকল্পের সাথে চার বছর ধরে উপকূল পরিছন্নতার কাজে সংযুক্ত) এবং ওয়ার্ল্ডফিশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। এছাড়া, স্থানীয় মৎস্যজীবী সম্প্রদায়কে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীরা উপকূল থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক ও অন্যান্য আবর্জনা (প্রায় ২২০ কেজি) সংগ্রহ করেন, যা সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সুনীল প্রহরী ও মৎস্য সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা জানান, তারা উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকবে।

প্রকল্প সুত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ল্ডফিশ ২০২০ সাল থেকে এই এলাকায় কাজ করে আসছে, যার মাধ্যমে উপকূলীয় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষা করা হচ্ছে। ওয়ার্ল্ডফিশ ইকোফিশ-২ প্রকল্পের লক্ষ্য হল কক্সবাজার উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জীবিকা উন্নয়ন ও উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে সামাজিক ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা।

ওয়ার্ল্ডফিশ প্রতিনিধি বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ সংরক্ষণে স্থানীয় সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM