সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
এবাদতখানা’র ভাড়ার চুক্তি বাতিলের দাবীতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিকট এলাকাবাসীর অভিযোগ 

এবাদতখানা’র ভাড়ার চুক্তি বাতিলের দাবীতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিকট এলাকাবাসীর অভিযোগ 

গিয়াস উদ্দিন।।
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলাধীন  মগনামা লঞ্চঘাটে অবস্থিত কক্সবাজার জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত এবাদতখানা। এবাদতখানা কক্ষের ভাড়ার চুক্তি বাতিলের জন্য কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
জানা যায়,  পেকুয়া মগনামা লঞ্চঘাটের এবাদত খানার সেই কক্ষের ভাড়ার চুক্তি বাতিলের দাবীতে (৪ আগষ্ট) কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন মগনামার সচেতন মহল।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, কক্সবাজার জেলা পরিষদ বিগত ৪/৫ বছর পূর্বে পেকুয়া উপজেলার মগনামা লঞ্চঘাটের সান লাইন বাস কাউন্টারের পাশে তাদের জায়গায় এবাদত খানা মার্কেট নামকরণ করে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট একটি একতলা বানিজ্যিক মার্কেট নির্মাণ করে। মার্কেটে ওযুখানা সহ একটি কক্ষ পথচারী ও যাত্রীদের এবাদতের জন্য সংরক্ষিত করে রাখা হয়। মার্কেটে আরো তিনটি দোকান রয়েছে। এসব দোকান স্থানীয় তিন ব্যক্তির কাছে পত্রিকায় ইজারা/ভাড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই গোপনীয়ভাবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। গোপনে দোকান ভাড়া দেওয়ার নেপথ্যে রয়েছে জেলা পরিষদের তৃতীয় শ্রেনীর এক দূর্নীতিবাজ কর্মচারী রেজাউল করিম। তার বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায় বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মগনামা লঞ্চঘাটে মুসল্লিদের ওযুর পানির সুবিধার্তে জেলা পরিষদ সেখানে একটি গভীর নলকূপও স্থাপন করেছিল। মার্কেট নির্মাণের পর থেকে এবাদত খানায় পথচারী ও যাত্রীরা নামাজের ওয়াক্ত হলে নামাজ আদায় করতো। এবাদতখানা নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যে ওযু খানার পানির মোটরসহ নলকূপের সরঞ্জামাদি চুরি হয়। এরপর এবাদত খানায় নামাজ আদায়ে সমস্যার সম্মুখীন হন মুসল্লিরা। এবাদত খানার নলকুপ ও পানির মোটর চুরি হলেও জেলা পরিষদ কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কিন্তু গত ০১/০২/
২০১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার জেলা পরিষদ এবাদত খানার ওই কক্ষটি পত্রিকায় ইজারা/ভাড়া দেওয়ার জন্য জাতীয় পত্রিকা ও স্থানীয় পত্রিকায় কোন ধরনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই গোপনে মগনামা লঞ্চঘাটের হানিফ নামের এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা সেলামীতে ৫ বছরের জন্য মাসিক ৪ শত ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়ে একটি চুক্তিপত্র করে ভাড়া দিয়ে দেয়! চুক্তিপত্রে জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী হিল্লোল বিশ্বাস কর্তৃক নামাজের স্থান (এবাদতখানা) গোপনে হানিফ নামের স্থানীয় এক ব্যক্তিকে মাসিক ভাড়া দেওয়ার তথ্য  ফাঁস হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে স্থানীয় মুসল্লিসহ সচেতন মহল। এরপর থেকে এবাদতখানা কক্ষের ভাড়া চুক্তি বাতিলের দাবি জোরালো হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM