২০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার ২ পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন পরিষদের স্থগিত নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হলেও শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবী করেন প্রার্থীরা।
নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা বেসরকারী ফলাফলে ৬ টিতে বিজয়ী হয়। এগুলো হলো-টেকনাফে ৪ টির মধ্যে ১ টি, কুতুবদিয়ায় ৬টির মধ্যে ২ টি, মহেশখালীর ৩ টির মধ্যে ২টি, পেকুয়ার ১ টিতে ১ টি জিতেছে। বাকি ৮ টিতে হেরে যায়। এছাড়া, চকরিয়া ও মহেশখালী পৌরসভায় বেসরকারীভাবে নৌকা বিজয়ী হন।
টেকনাফ উপজেলার টেকনাফ সদর ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান হয়েছেন জিয়াউর রহমান জিহাদ (মোটর সাইকেল),সাবরাং ইউনিয়নে নুর হোসাইন (আনারস), হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ২ কেন্দ্র স্থগিত থাকার কারণে ফলাফল হয়নি, হ্নীলা ইউনিয়নে রাশেদ মোহাম্মদ আলী (নৌকা)।
চকরিয়া উপজেলায় চকরিয়া পৌরসভাতে নির্বাচিত হয়েছেন আলমগীর চৌধুরী (নৌকা) এবং পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নে জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী (নৌকা)।
মহেশখালী উপজেলার মহেশখালী পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছেন মকসুদ মিয়া (নৌকা), মাতারবাড়ী ইউনিয়নে এসএমআবু হায়দার (নৌকা), কুতুবজোম ইউনিয়নে এড.শেখ কামাল (নৌকা), হোয়ানক ইউনিয়নে ওয়াজেদ আলী মুরাদ (মোটরসাইকেল)।
কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের ১টি কেন্দ্র স্থগিত থাকার কারণে ফলাফল হয়নি। তবে কৈয়ারবিল ইউনিয়নে আজমগীর মাতবর (নৌকা), আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর সিকদার (নৌকা), দক্ষিণ ধুরং ইউনিয়নে আলা উদ্দিন আল আজাদ (চশমা), উত্তর ধুরং ইউনিয়নে আবদুল হালিম (আনারস), লেমশীখালী ইউনিয়নে
মো.আকতার হোছাইন (চশমা)।
এদিকে, পৃথক দুটি ঘটনায় ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হয়ে কমপক্ষে আরো ১০ জন আহত হয়েছে।
দুপুর ১২টার দিকে কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গন্ডগোল সৃষ্টি হলে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নৌকা প্রতীকের এজেন্ট আবদুল হালিম (৩৬) নিহত হয়েছে। নিহত আবদুল হালিম বড়ঘোপ ইউনিয়নের গুলদার পাড়ার মৃত হোছাইনের পুত্র এবং ৭নং ওয়ার্ড় আওয়ামী লীগের সভাপতি।
অন্যদিকে, বেলা ১১টার দিকে মহেশখালি উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডে জামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে নৌকা প্রতীক ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে আবুল কালাম নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে।
Leave a Reply