বিশেষ প্রতিবেদক।।
কক্সবাজার জেলার তিন উপজেলার সদর, রামু ও উখিয়া উপজেলার ২১ ইউনিয়ন পরিষদের ভোট আগামি ১১ নভেম্বর। তাই প্রার্থীদের জন্য করণীয় হিসেবে নির্দেশনা প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। কক্সবাজার সদর নির্বাচন অফিসার শিমুল শর্মা প্রার্থীদের জন্য যে নির্দেশনা দিয়েছেন তার একটি ছক প্রার্থীদের প্রদানের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন।
কক্সবাজার সদরের ৫টি ইউনিয়নের জন্য ২ অক্টোবর রির্টানিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। এতে ঝিলংজা,পিএমখালী,
খুরুস্কুলের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন সদর নির্বাচন কর্মকর্তা শিমুল শর্মা। ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে রিটার্নিং অফিসার থাকবেন সদরের কৃষি অফিসার মোঃ জাহিদ হাসান। চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে দায়িত্ব পালন করবেন সদরের প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ অসীম বরণ সেন।
কক্সবাজার সদর নির্বাচন অফিসার শিমুল শর্মা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য বিশেষ করে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য এবং সদস্যদের জন্য ২৩টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। এরমধ্যে কোন একটি বাদ গেলে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার আশংকা রয়েছে শতভাগ।
নির্দেশনা সমুহ হলো-মনোনায়নপত্র সংগ্রহের আগে সংশ্লিষ্ট রিটানিং অফিস হতে ভোটার তালিকার সিডি এবং রশিদপত্র সংগ্রহ করতে হবে। মনোনায়ন
পত্রের সাথে মুলকপিসহ ৪ সেট জমা দিতে হবে। সকল ডকুমেন্ট ‘এ ফোর’ সাইজের হতে হবে। যথাস্থানে প্রস্তাবক, সর্মথক ও প্রার্থীর স্বাক্ষর থাকতে হবে। প্রার্থীর ২কপি সত্যায়িত ছবি থাকতে হবে। প্রস্তাককারি, সমর্থনকারির ভোটার তালিকার নামসহ ফটোকপি মার্কার কলম দিয়ে চিহ্নিত করে দিতে হবে। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।
রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে দলীয় মনোনয়ন সংযুক্ত করতে হবে। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নতুন ব্যাংক একাউন্ট খোলার স্লিপ থাকতে হবে। আয়কর আদায় হলে আয়কর রির্টান দাখিলের কপি, ১২ ডিজিটের টিন সনদের কপি জমা দিতে হবে। নির্বাচনী ব্যায়ের সত্য উৎস বিবরনী দিতে হবে। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প হলফনামা সংযুক্ত করতে হবে। চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার, মেম্বারপদে ১ হাজার টাকা পে-অর্ডার, ব্যাংক ড্রাফট, ট্রেজারি চালান রিটানিং অফিসার বরাবরে প্রদান করতে হবে।প্রার্থীদের জামানতের টাকা ১/০৬০১/০০০১/৮৪৭৩ কোডে জমা দিতে হবে। প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার এবং ২৫ বছরের উর্ধে হতে হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১টি প্রতিক এবং দলীয় প্রার্থীদের জন্য দলীয় প্রতিক উল্লেখ করতে হবে। মনোনায়ন ফরম এনআইডির সাথে মিল করে পুরণ করতে হবে। চেয়ারম্যান পদে খরচ ৫ লাখ টাকা নির্বাচনি এবং ৫০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত খরচ এবং মেম্বার পদে ১ লাখ টাকা নির্বাচনি এবং ১০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত খরচ করতে পারবে। প্রার্থীর নাম, পিতা-স্বামীর নাম ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে।
এছাড়া, গত ৫ বছরের মধ্যে যেকোন সময় দন্ডবিধির ১৮৯,১৯২,২১৩,৩৩২,৩৩৩,৩৫৩ এর আওতায় দোষী সাব্যস্ত হলে নির্বাচনে অযোগ্য হিসাবে বলে বিবেচ্য হবে। তফশিল অনুযায়ি ২৯ অক্টোবর মনোয়নয়ন ফরম দেওয়ার কথা থাকলেও ৩ অক্টোবর থেকে স্ব-স্ব রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন প্রার্থীরা। তবে ভোটার সিডি সদর নির্বাচন কর্মকর্তা শিমুল শর্মার কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে ।
Leave a Reply