সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে সাঁতার শুরু করেছে ৮০ সাঁতারু। ৮০ জনের এই দলে আছে ১০ বছর ৪ মাস বয়সী শিশু লারিসা।এটি ১৬তম ফরচুন বাংলা চ্যানেল সাঁতার-২০২১’।
সোমবার সকাল ১০টার সময় সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে নেমেছে ৮০ সাঁতারু।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহ্পরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে এই সাঁতার শুরু হয়। ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দূরত্বের বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে সাঁতার শেষ হবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে। সাঁতারের আয়োজন করেছে ‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার’ ও ‘এক্সট্রিম বাংলা’।
ছোট্ট লারিসা সফল হলে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া কনিষ্ঠ সাঁতারু হবে এই শিশু । তার সঙ্গে সাঁতারে অংশ নিচ্ছেন তার বাবা সৈয়দ আক্তারুজ্জামান ও বড় ভাই সৈয়দ আরবিন আয়ানও। বাবা ও দুই সন্তানের একসঙ্গে অংশ নেওয়াটাও বাংলা চ্যানেলে একটা রেকর্ড।
বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে এবার সাঁতারে অংশ নিচ্ছেন ৮০ সাঁতারু। সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার, ১৯ ডিসেম্বর বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে এবার সাঁতারে অংশ নিচ্ছেন ৮০ সাঁতারু। ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিপটন সরকার জানান, এখন পর্যন্ত ১৭ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন তিনি। আজ সফল হলে টানা ১৮ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড গড়বেন। তিনি জানান, এবার সর্বোচ্চ ৮০ জন সাঁতারু অংশ নিচ্ছেন। গত বছর ৪৩ জন সাঁতারু অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩৯ জন সফল হয়েছিলেন।
লিপটন সরকার বলেন, ‘এই সাঁতার আন্তর্জাতিক রীতি মেনে পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। এবারও একজন বিদেশি সাঁতারু অংশ নিচ্ছেন। আমরা বাংলা চ্যানেল সাঁতারকে আন্তর্জাতিক করতে পেরেছি। গতবারের চেয়ে এবার প্রায় দ্বিগুণসংখ্যক সাঁতারুর অংশগ্রহণ বলে দিচ্ছে বাংলাদেশে দূরপাল্লার সাঁতার জনপ্রিয় হচ্ছে।’
বঙ্গোপসাগরে দূরপাল্লার সাঁতারের উপযোগী ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দূরত্বের বাংলা চ্যানেল আবিষ্কার করেন প্রয়াত কাজী হামিদুল হক। ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো বাংলা চ্যানেল সাঁতার শুরু হয়।
Leave a Reply