কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করতে চাই। দশটি ভাল কলেজের মতো এই কলেজকে তৈরি করতে চাই। জেলার অন্যতম ভাল কলেজ হিসেবে তৈরি করতে কাজ করতে হবে শিক্ষকদের। তাই
সবকিছুর আগে কোয়ালিটি ডেভলপ করতে হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও কক্সবাজার ডিসি কলেজের সভাপতি মোঃ মামুনুর রশীদ ভর্তি কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় কক্সবাজার ডিসি কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ মোঃ ইব্রাহিম হোসেন।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, কক্সবাজার ডিসি কলেজকে অন্যতম সেরা কলেজে পরিণত করার কমিটমেন্ট হচ্ছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তোমরা নিজের জন্য বোঝা না হও। তোমাদের ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগাও, তাহলে তোমরা সফল হবে। যে স্বপ্ন মানুষকে ঘুমাতে দেয় না এমন স্বপ্ন দেখার অনুরোধ জানান তিনি।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিভীষণ কান্তি দাশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা ও কল্যাণ শাখার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা।
কক্সবাজার ডিসি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ইব্রাহিম হোসেন তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ‘কক্সবাজার ডিসি কলেজ’ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলো। গেল ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ব্যাচের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে কক্সবাজার ডিসি কলেজ পাসের হারের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলায় নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছে। কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন ৬৬ জন শিক্ষার্থীর সকলেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৬৫ জন কৃতকার্য হয় ও ১ জন অকৃতকার্য হয়। কৃতকার্যদের মধ্যে ১৭ জন A+, ৪৩ জন A এবং ৫ জন শিক্ষার্থী A- পেয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি কে দেশের শীর্ষ স্থানীয় বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তোলা এবং কক্সবাজার জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। যারা এই কক্সবাজার ডিসি কলেজে তাদের সন্তানদের ভর্তি করিয়েছেন তাঁদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আগামীতে আরো ভালো ফলাফল অর্জনে সকলের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ১৫৪ জন শিক্ষার্থী এই সেশনে ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে বলে জানান তিনি।
এসময় শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রভাষক (গণিত) কে. এম. আহসান উল্লাহ, প্রভাষক (জীববিজ্ঞান) মুমতাহেনা, প্রভাষক (রসায়ন) মো: শাহজাহান, প্রভাষক (আইসিটি) মোহাম্মদ কায়সার উদ্দীন, প্রভাষক (ইংরেজি) তাসনিম ইসলাম, প্রভাষক (পদার্থবিজ্ঞান) আব্দুল্লাহ আল সুমন, প্রভাষক (অর্থনীতি) নাহিদ সুলতানা হেলেন, প্রভাষক (উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন) আহম্মদ উল্লাহ, প্রভাষক (ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা) মোহাম্মদ শরীফ, প্রভাষক (হিসাববিজ্ঞান) আমেনা আক্তার, সহকারি শিক্ষক, গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান মোহাম্মদ নূর উদ্দিন, প্রদর্শক (জীববিজ্ঞান) রোশনা আক্তার সুমা, অফিস সহকারি কাম হিসাব সহকারি এম. ওবাইদুল হক রোকন, অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কোহিনুর আক্তার, অফিস সহায়ক সজীব পাল হিমু ও শংকর রুদ্র, নৈশ প্রহরী নূরুল ইসলাম, পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
Leave a Reply