প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচল খুবই সীমিত পরিসরে ছিল। মাঝে-মধ্যে রিক্সা, মোটর সাইকেল ছাড়া অন্য কোন যানবাহন তেমন চোখে পড়েনি। জরুরী পণ্যবাহী গাড়ি চলেছে প্রমাণপত্র দেখিয়ে। জরুরি সেবার সাথে জড়িতরা সুনির্দিষ্ট পরিচয়পত্র দেখিয়ে পার পেয়েছে। যারা প্রমাণপত্র দেখাতে পারেনি তাদের উল্টো ফেরত পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ জানান, লকডাউন আরো কঠোরভাবে পালন হবে। বিনা প্রয়োজনে যারা রাস্তায় বের হয়েছে তাদের সতর্ক করা হয়েছে। বিধিনিষেধ না মানলে আইন প্রয়োগ করতে সারা জেলায় ৩৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামানো হয়েছে। সরকারি বিধি-নিষেধের সর্বাত্মক বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করে চলেছে জেলা প্রশাসন।
Leave a Reply