সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
উখিয়া কলেজে এইচএসসির ফল বিপর্যয়, ব্যবস্থাপনাকে দুষছেন সচেতন মহল

উখিয়া কলেজে এইচএসসির ফল বিপর্যয়, ব্যবস্থাপনাকে দুষছেন সচেতন মহল

ইমরান জাহেদ।।
কক্সবাজারের উখিয়া কলেজে এইবারের এইচএসসি পরিক্ষায় ফলাফল চরম বিপর্যয় হয়েছে। এমনকি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কেউ পাশও করেনি। রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে কলেজে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। একই সাথে কলেজ ব্যবস্থাপনাকেও দায়ী করছেন অনেকে।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ৫৭০ জন পরিক্ষার্থীদের মাঝে অকৃতকার্য হয়েছে ৩৯৮ জন এবং পাশ করেছেন মাত্র ১৭২ জন। পাশের হার ৩০ দশমিক ১৮ শতাংশ। যেখানে মানবিক বিভাগ থেকে পাশ করেছে ১৪০ জন এবং ফেল করেছে ৩৩৬জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পাশ করেছে ৩২ জন এবং ফেল করেছে ৭০ জন। এছাড়া, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৬ জন অংশ নিয়েও কেউ পাশ করেনি।
উখিয়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত দাশ জানান, ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে তিনি নিজেই লজ্জিত। শিক্ষার্থীরা কলেজে অনুপস্থিত ও ক্লাসের পাঠদানে অংশগ্রহণ না করা ও সর্বোপরি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি করার কারণে ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।
তিনি আরো জানান, ৮৪ জন কারিগরি শিক্ষার্থী পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাশ করেছে। তার মতে সাধারণ ও কারিগরি শাখায় মোট পাশের হার ৩৯.৫৪।
সচেতন অভিভাবকরা মনে করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও সঠিক পরিচালনা এবং শিক্ষকদের জবাবদিহিতা না থাকায় ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এর বড় উদাহরণ হচ্ছে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন শিক্ষক থাকার পরও ৬ জম শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় সবাই ফেল করেছে। এরা কি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আদৌ চাকুরী করেছিল, নাকি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অযোগ্যতা এমনটি প্রমাণ করে।
সচেতন অভিভাবকদের অভিমত, এলাকায় লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরনার্থী অবস্থান করার ফলে বিভিন্ন এনজিও সংস্থায় স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের মাঝে অদ্যাবধি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এনজিওদের কাছ থেকে মাস শেষে ৩০-৪০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০-৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন গ্রহণ করছেন। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ালেখার প্রতি অমনোযোগী হয়ে যাচ্ছে। চাকরীর কারণে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জনের ফলে মারাত্মক ফল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও, অভিভাবকগণ অর্থের লোভে পড়ে নিজ নিজ সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব থেকে সরে আসার কারণে এমন ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবী করেন তারা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM