সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
উপকূলীয় মৎস্য সংরক্ষণে ইকোফিশ-২ -এর প্রভাব নিয়ে মৎস্যজীবী সম্মেলন অনুষ্ঠিত 

উপকূলীয় মৎস্য সংরক্ষণে ইকোফিশ-২ -এর প্রভাব নিয়ে মৎস্যজীবী সম্মেলন অনুষ্ঠিত 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কক্সবাজারের উখিয়ায় উপকূলীয় মৎস্য সংরক্ষণে ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ এর প্রভাব নিয়ে মৎস্যজীবী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত উখিয়ার ইনানী রয়েল রিসোর্টে এ মৎস্যজীবী সম্মেলন চলে।
সুত্রে জানা গেছে, ইউএসএআইডির অর্থায়নে ওয়ার্ল্ডফিশ ইকোফিশ-২ প্রকল্প উখিয়া উপজেলায় ২০২০ সাল থেকে পাঁচ বছর ধরে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জেলেদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে কক্সবাজার অঞ্চলে কাজ করছে। ইকোফিশ-২ প্রকল্পের কাজ পর্যালোচনা করার জন্য এই সম্মেলনটি একটি অনন্য মঞ্চ প্রদান করে।
সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় ছিল ইকোফিশ-২ এর প্রধান লক্ষ্য, অর্জন এবং বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলি। আলোচনার একটি প্রধান বিষয় ছিল উপকূলীয় সম্প্রদায়ের জন্য খাদ্য, পুষ্টি এবং আয়ের সুযোগ নিশ্চিত করতে টেকসই মৎস্যচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অভিন্ন প্রতিশ্রুতি।
সম্মেলনে আলোচনা সভায় ইকোফিশ-২ এর প্রতিনিধিরা প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে সহনশীল মৎস্যজীবী সম্প্রদায় গঠন, মৎস্যজীবীদের জন্য সফল দক্ষতা-বৃদ্ধি উদ্যোগ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। প্রকল্পটি দায়িত্বশীল মৎস্যচর্চায় প্রশিক্ষণ প্রদানের ওপর জোর দিয়েছে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
ইকোফিশ-২ উখিয়ার ১৩টি গ্রামের ৩০৫৪ জন সুফল্ভোগী নিয়ে কাজ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ৭৪টি এফসিজি গ্রুপ, ১২টি ভিএফসিজি, ৫ জন সিটিজেন সাইন্টিস্ট, ২ জন এলসিএফ, ২১ জন সুনীল প্রহরী, ১৭টি উইং গ্রুপ, ৭টি সিএসজি গ্রুপ, ২৪ জন সি উইড সুফলভোগী এবং ১৯০ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নৌকার মাঝি। এই প্রকল্পটি মৎস্যজীবীদের দায়িত্বশীল মৎস্যচর্চার প্রশিক্ষণ প্রদান করে, যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এদিকে, মৎস্যজীবীদের মতামত গ্রহণের জন্য একটি বিশেষ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনেকেই উন্নত মৎস্যচর্চা এবং জীবিকা সহায়তা লাভের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে, মৎস্যজীবীরা আরও বাজার সুযোগ এবং অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ থেকে সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষার জন্য আরও সহায়তার আশাও ব্যক্ত করেন। সাফল্য এবং চ্যালেঞ্জগুলোকে প্রতিফলিত করে, সম্মেলনে ইকোফিশ-২ এর সম্প্রদায়-নেতৃত্বাধীন সংরক্ষণ এবং ন্যায়সঙ্গত উন্নয়নের উত্তরাধিকারের গুরুত্বকে পুনরায় নিশ্চিত করা হয়। সম্মেলনটি এই যৌথ চেতনা ধরে রাখার এবং প্রকল্পের অর্জনগুলোকে আরও প্রসারিত করার আহ্বানের মধ্যদিয়ে শেষ হয়। যাতে মৎস্যজীবী এবং বাংলাদেশের ভঙ্গুর উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্রের জন্য একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যায়।
এতে অংশগ্রহণ করেন-মৎস্য সংরক্ষণ দল (এফসিজি), গ্রামভিত্তিক মৎস্য সংরক্ষণ দল (ভিএফসিজি), মৎস্য অবতরণকেন্দ্র ভিত্তিক সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি, সুনীল প্রহরী, সিটিজেন সায়েন্টিস্টস, মৎস্য অধিদপ্তর ও ওয়ার্ল্ডফিশ প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা। এতে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন-কক্সবাজারস্থ উখিয়া ইকোফিশ-২ এর গবেষণা সহযোগী মোঃ শামীম হোসেন ও গবেষণা সহকারী আয়েশা রাহি নূর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM