চলমান লকডাউনে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরের জামান চৌধুরী কর্তৃক মোঃ আতা উল্লাহ (৪২) নামের এক মেকানিককে পর পর দুইটি থাপ্পড় ও পাঁচটি আলাদা আলাদা রিসিটে মামলা দিয়ে ২হাজার ১শত টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় দ্বীপবাসী ও সচেতন মহলে বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী মো.আতাউল্লাহ কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ লেমশীখালীর ৯নং ওয়ার্ড় এলাকার ছিদ্দিক হাজীরপাড়ার মৃত মৌলবী ইউছুফের ছেলে এবং পেশায় একজন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ার) ইঞ্জিন মিস্ত্রি৷
সোমবার (৯আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে কুতুবদিয়া থানা গেইট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে৷
এব্যাপারে ভুক্তভোগী ইঞ্জিন মিস্ত্রি আতাউল্লাহ বলেন, ৯ আগষ্ট সকালে একটি ইঞ্জিন মেরামতের কাজ করতে গিয়ে একটি বল্টু মেলানো যাচ্ছেনা। সেটা খোঁজ করতেই বড়ঘোপ উপরের বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম, অন্যজনের মোটর সাইকেল নিয়ে। কুতুবদিয়া থানার গেইট ক্রস করার সময় সামনে ইউএনও স্যারের গাড়ি। আমাকে থামতে বললে আমি থামি। ইউএনও স্যার গাড়ি থেকে নেমে এসে কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার গালে দুটি থাপ্পড় দেন। পরে গাড়ির কাগজপত্রের কথা জিজ্ঞেস করলে আমি জানাই অন্যের কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি ধার নিয়ে আসছি। আমার কাছে কাগজপত্র নেই। সেজন্য আমাকে পাঁচটি রিসিটে ৫ বার জরিমানা করা হয়। তন্মধ্যে ১.৩৫৩/২১ নং রিসিটে দঃবিঃ ১৮৬০/২৬৯ ধারায় ১০০/-, ২.৩৫৪/২১ নং রিসিটে মোটরজান ২০১৮/৬৬ ধারায় ৫০০/-, ৩.৩৫৫/২১ নং রিসিটে দঃবিঃ ১৮৬০/১৮৮ ধারায় ৫০০/-, ৪.৩৫৬/২১ নং রিসিটে দঃবিঃ ১৮৬০/২৬৯ ধারায় ৫০০/-,৫.৩৫৭/২১ নং রিসিটে দঃবিঃ ১৮৬০/১৮৮ ধারায় ৫০০/- সর্বমোট ২হাজার ১শ টাকা জরিমানা হিসেবে তৎক্ষণাত পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়৷ এই ২হাজার ১শ টাকা আমার মত একজন মেকানিকের জন্য বোঝা এবং আইন বহির্ভূতভাবে আমার গায়ে হাত তোলায় আমার পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে ৷ এই ঘটনার বিচার সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে উধ্বতন প্রশাসনের কাছে চাচ্ছি।
এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুরের জামান চৌধুরীর মোবাইলে বেশ কয়েকবার কল দেওয়ার পরও মোবাইল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাছাড়া, উনার মোবাইলে পরিচয় দিয়ে মেসেজ পাটালেও কোন ধরনের উত্তর পাওয়া যায়নি।
Leave a Reply