মো.শাহাদত হোছাইন।।
কক্সবাজারের উখিয়ার রাজাপালং-রত্নাপালং যাতায়াতের একটি মাধ্যম এই কাঠের সাঁকো। সরকারের উন্নয়ন মহাযঙ্গের মধ্যেও ৪৮ মিটার দীর্ঘ কাঠের সাঁকোর কারণে অবহেলিত হয়ে পড়েছে ৫ হাজারের অধিক মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাফেরা করে আসছে দুই এলাকার মানুষ। সেই সাথে প্রতিনিয়ত স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শতশত শিক্ষার্থীসহ সবার দুর্ভোগের যেনো শেষ নেই বলে জানান তারা।
রেজুরকুল এলাকার বাসিন্দা প্রিয়তোষ বড়ুয়া বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়ে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে আসা- যাওয়া করতেছি। বর্ষার সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েও যাতায়াত করতে হয়। ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানাই।
মিলন বড়ুয়া বলেন, আমরা ৫০ বছর ধরে একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে আছি। এ দুর্ভোগ লাঘবে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলে শুনেছি। দ্রুত টেকসই সেতু নির্মাণ করা হোক, সেই দাবী জানাই।
পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পড়ুয়া কয়েকজন
ছাত্রী জানান, কাঠের সাঁকো দিয়ে আমরা স্কুলে ও প্রাইভেটে আসা যাওয়া করি। বর্ষার সময় খুবই ঝুঁকি নিয়ে যেতে হয়। দ্রুত সেতু নির্মাণ করার দাবি জানান তারা। ৪৮মিটার লম্বা ৫০বছরের সাঁকোটি তৈরি করা হলে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে যাবে এই দুই এলাকা।
উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, রাজাপালং-রত্নাপালং সংযোগ সেতুটি প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণের টেন্ডার হয়েছে। শীগ্রই এটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। দ্রুত কাজ শুরুর জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু হয়নি। এর আগে দুই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ পরিদর্শন করা হয়েছিলো ৪৮
মিটার লম্বা সাঁকোটি। এটি নির্মাণ শেষ হলে ঐ এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
Leave a Reply