সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ হলেই পাল্টে যাবে কুতুবদিয়া

সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ হলেই পাল্টে যাবে কুতুবদিয়া

কাইসার সিকদার।।
দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন জেলার উপকুলীয় এলাকা  কুতুবদিয়া। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মতো মতো জাতীয় গ্রিডের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এই দ্বীপ। গত মাসের শেষের দিকে বিদ্যুৎ সরঞ্জাম নিয়ে ২টি জাহাজ এসে পৌঁছেছে।
সুত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।কুতুবদিয়া পারাপার ঘাট মগনামা জেটির ৫শ মিটার উত্তরে সাগরের তলদেশ থেকে ৫ মিটার গভীরে দিয়ে বিদ্যুৎ লাইনের ক্যাবল যাবে কুতুবদিয়ায়। জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলে পাল্টে যাবে কুতুবদিয়ার চেহারা। গড়ে উঠবে শিল্প কারখানা। বলা যায়, কাজ শুরু হলে ২২ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রীড থেকে কুতুবদিয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ হবে বলে আশাবাদী দ্বীপের দেড় লক্ষাধিক মানুষ। সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে মগনামা হতে চ্যানেলের তলদেশ দিয়ে পারাপার করে কুতুবদিয়া দ্বীপে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে।
উল্লেখ্য, কুতুবদিয়া উপজেলায় একমাত্র জেনারেটরের মাধ্যমে ৭শত গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার কথা থাকলেও সপ্তাহে ২/১ দিন করে এ সুবিধা পায় বলে জানান গ্রাহকরা।
এছাড়া, ২০০৬-০৭ সালে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সুবিধার লক্ষ্য বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান ফ্যান এশিয়া পাওয়ার সার্ভিস লিঃ এর মাধ্যমে বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাজ শুরু করে। ২০১৬ সালে ২৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০ টি টারবাইন দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নতুন করে নির্মাণ করা হয়।
সুত্র জানায়, ৩০ হাজার গ্রাহকে বিদ্যুৎ দিলে পুরো এলাকা কাভার করবে। কারণ গড়ে এক জন গ্রাহক থেকে ৬ থেকে ৭ জন বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করবেন।  ‘হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়া দ্বীপ শতভাগ নির্ভরযোগ্য ও টেকসই বিদ্যুতায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ৪০০ কোটি টাকা। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। সংযোগ স্থাপনে কুতুবদিয়ায়ও আধুনিক ভারি ক্যাবল ব্যবহার করা হবে। ঝুঁকিমুক্ত রাখতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
বর্তমানে বিপিডিবির কুতুবদিয়া দ্বীপে ১ হাজার ২০০ জন গ্রাহক রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৭ এমভিএ বা ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে। এসবের মাধ্যমে ৪২ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া যাবে। কুতুবদিয়া দ্বীপে শতভাগ বিদ্যুৎ
আয়নের জন্য এসপিসি (খুঁটি) পোলের বিপরীতে স্টিল পোল দ্বারা প্রতিস্থাপিতকরণ, ৩৩/১১ কেভি কনভেনশনাল উপকেন্ত্রের পরিবর্তে মডুলার টাইপ উপকেন্দ্র দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM