মো.শাহাদত হোছাইন।।
সারাদেশের মত কক্সবাজারেও বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টা থেকে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। লকডাউনের প্রথম দিনে কক্সবাজার শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের প্রবেশমুখ কলাতলী মোড়, বাস টার্মিনাল ও লিংকরোডসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে রাস্তায় দেখা গেলে আটকানো হচ্ছে এসব চেকপোস্টে। এছাড়াও সড়কে কিছু মালবাহী গাড়ী, ব্যাটারী চালিত রিকশা, টমটম ও সিএনজি চলাচল করতে দেখা গেছে। মুদির দোকান ও খাবারের দোকান খোলা থাকলেও হোটেল রেস্টুরেন্ট বন্ধ ছিল। মানুষের চলাচলও অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেকটা কম লক্ষ্য করা যায়।
লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে কক্সবাজারের
জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ ও পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান সহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিল্টন রায় জানান, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশের চেকপোস্ট বসানে হয়েছে। করোনা ভাইরাস রোধে মানুষের চলাচলে ‘বিধি-নিষেধ’ আরোপ করে ২১ দফা নিদের্শনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে উপজেলা প্রশাসন ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিনা কারণে বের হলে নেওয়া হবে আইগত ব্যবস্থা।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, আনসার, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে, কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছি।মানুষের মাঝে ধারণা হয়েছে লকডাউনকে মানতে হবে। শতভাগ
লকডাউনের বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য করা হচ্ছে মানুষকে। কোথাও কোথাও আইন প্রয়োগও করেছি। আইন প্রয়োগ করতে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৩৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামানো হয়েছে।
এদিকে, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশে চলমান লকডাউনে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষেরা।
Leave a Reply