সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে জমি বিরোধের অভিযোগ  কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি শালিকের জিএম মুজিবকে অপহরণ করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ সিবিআইইউ শিক্ষার্থী মুজিবকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজার শহরে ২ জনকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় মাছের গাড়ি ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক-২, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, খামারের মালিক পলাতক  সভাপতি রশিদের অত্যাচারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু!  কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে ওমর ফারুক রামুতে পুলিশের অভিযানঃ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়া গ্রেফতার 
রামুর রশিদনগরে দুই কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ভোট পড়েছে মোট ১৩টি 

রামুর রশিদনগরে দুই কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ভোট পড়েছে মোট ১৩টি 

 

মো.শাহাদত হোছাইন।। 

সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোয়াজ্জেম মোর্শেদ ৯নং ওয়ার্ড কেন্দ্রে মাত্র ৫ টি ভোট পেয়েছে।

কেন্দ্রভিত্তিক ৯টি ওয়ার্ডের নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, একটি কেন্দ্র ছাড়া কোনো কেন্দ্রেই তিনি পাশ করেননি। তিনি হেরেছেন ৯ কেন্দ্রের ৮ টিতে। কয়েকটি কেন্দ্রে নৌকার প্রার্থী মোয়াজ্জেম মোরশেদের কোনো এজেন্টই আসেননি। ঘোষিত ফলাফলে তিনজনের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন তিনি।এই পরাজয়ের জন্য তিনি নিজেই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে দায়ী করছেন।

মোয়াজ্জেম মোরশেদ ছাত্র জীবনে শিবিরের ক্যাডার ছিলেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের নেতা দাবী করেন নিজেকে।

সদ্য সমাপ্ত দ্বিতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়ন থেকে ৩ হাজার ৯শ ৯৯ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমডি শাহ আলম, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী হান্নান ছিদ্দিকী পেয়েছেন ৩ হাজার ৯শ ২৪ ভোট, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোয়াজ্জেম মোরশেদ পেয়েছে মাত্র ৮৫৪ ভোট।

নৌকার প্রার্থী মোয়াজ্জেম ১নং কেন্দ্রে পেয়েছে ৪৬ ভোট, ২নং কেন্দ্রে ২৪৬, ৩নং কেন্দ্রে ২০ ভোট, নিজ কেন্দ্র ৪নং কেন্দ্রে পেয়েছে ৩৬৪ ভোট, ৫নং কেন্দ্রে পেয়েছে ১১৯ ভোট, ৬নং কেন্দ্রে পেয়েছে ১৫ ভোট, ৭নং কেন্দ্রে পেয়েছে ১৪ ভোট, ৮ নং কেন্দ্রে পেয়েছে মাত্র ৮ ভোট ও ৯নং কেন্দ্রে পেয়েছেন মাত্র ৫ ভোট। এ কেন্দ্রে তার কোন এজেন্টই আসেননি।

আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কারণেই আমি হেরে গেছি। তারা ষড়যন্ত্র করে নৌকাকে ডুবিয়ে দিয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীকে সরিয়ে দিতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। যদিওবা পোস্টটি তোপের মুখে পড়ে পরে সরিয়ে ফেলেন তিনি।

নৌকা প্রতীকের এমন পরাজয়ের পরপর দলীয় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগকে দায়ী করেছেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বজল আহমেদ বাবুল বলেন, নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে আমরা কাজ করেছি।এতে কোনো ধরনের ত্রুটি ছিল না। স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে যাওয়াতে ক্ষতি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে রামু উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরমধ্যে ৪টিতে নৌকা ও ৭ টিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All rights reserved by © coxnewstoday
Desing & Developed BY MONTAKIM