সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
এহসান কুতুবী।।
বাংলাদেশ মহিলা অনূর্ধ্ব -১৯ ফুটবল টিমের একজন সদস্য কক্সবাজার জেলার উখিয়ার মেয়ে শাহেদা আক্তার রিপা। তার ক্যারিয়ার জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া ২০২১ সালে শেষ হওয়া
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনূর্ধ্ব -১৯ চ্যাম্পিয়নশীপে টুর্নামেন্টে তার দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ওই টুর্নামেন্টে সেরা গোলদাতা (৫ গোল) ও সেরা খেলোয়াড় (৩ ম্যাচে) হয়েছিলেন শাহেদা আক্তার রিপা।
উক্ত সেরা গোলদাতার ট্রফিটি তিনি নিলামে তুলতে চান। ট্রফি বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত সব অর্থ ব্যয় করতে চান সিলেটের বন্যার্ত মানুষের জন্য। এমনই ঘোষণায় কক্সবাজার জেলাব্যাপী চলছে ব্যাপক আলোচনা।
বাংলাদেশ মহিলা অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল টিমের সদস্য শাহেদা আক্তার রিপার জন্মস্থান কক্সবাজারের উখিয়া। তিনি উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাছড়ি গ্রামের জালাল আহমদ ও শামসুন্নাহারের দ্বিতীয় মেয়ে। রিপা বর্তমানে বিকেএসপির দশম শ্রেণিতে পড়ছে। ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে সে।
শাহেদা আক্তার রিপা জানান, কোনো দয়াবান ব্যক্তি যদি এই মহৎ কাজ ট্রফি নিলামে কিনে অংশীদার হন তাহলে আমরা কিছুটা হলেও বন্যার্ত মানুষের পাশে থাকত পারবো।
তিনি বলেন, আমার এই ট্রফিটি আমার বাড়িতে শো-কেস রাখা আছে। হয়তো সারাজীবন থাকবে। কিন্তু কোনো মানুষের কাজে আসবে না। এই মূহুর্তে বির্পযস্ত সিলেটবাসীর জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার সবার সহযোগিতা।
রিপা আরও বলেন, আমি নিজের ফেসবুক ফেিজেও ঘোষণা দিয়েছি ট্রফি নিলামের। ট্রফি বিক্রি করে আমি যদি সিলেটবাসীর পাশে একটু হলেও দাঁড়াতে পারি তাহলে আপনাদের সবার প্রতি
চিরকৃতজ্ঞ থাকিব। এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
পাঠকদের জন্য ফেসবুকে দেওয়া তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো…
আসসালামুআলাইকুম।
আমি #শাহেদা #আক্তার #রিপা,
বাংলাদেশ মহিলা অনূর্ধ্ব -১৯ ফুটবল টিমের একজন সদস্য। সিলেটে বন্যর্তদের পাশে দাড়াতে আমি ছোট্ট একটি উদ্যোগ নিয়েছি।
আমার ছোট্ট ক্যারিয়ার জীবনে আমার সবচেয়ে যেটা বড় পাওয়া সেটা হল, ২০২১ সালে শেষ হওয়া সাফ অনূর্ধ্ব -১৯ চ্যাম্পিয়নশীপে টুর্নামেন্টে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ঐ টুর্নামেন্ট এর আমি সেরা গোলদাতা (৫ গোল) ও সেরা খেলোয়াড় (৩ ম্যাচে) হয়েছিলাম।
উক্ত সেরা গোলদাতার ট্রফিটি আমি নিলামে তুলতে চাই। যার সম্পুর্ণ অর্থ ব্যায় হবে সিলেটের বন্যার্ত মানুষের পাশে। কোনো দয়াবান ব্যাক্তি যদি এই মহৎ কাজের অংশীদার হোন তাহলে আমরা কিছুটা হলেও বন্যার্ত মানুষের পাশে থাকত পারবো।
আমার এই ট্রফিটা আমার বাড়িতে সৌকেছে রাখা আছে, হয়তো সারাজীবন থাকবে। কিন্তু কোনো মানুষের কাজে আসবে না। এই মূহুর্তে সিলেটের সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার সেটা হল সবার সহযোগিতা। আমি যদি সিলেটের পাশে একটু হলেও দাড়াতে পারি তাহলে তাহলে আপনাদের সবার প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকিব।
সাংবাদিক ভাইদের সহযোগিতা কামনা করছি।
Leave a Reply